এপারে আমি বসে আর বাবা তুমি ওপারে। মাঝখানে নদী তার কেবলি অশ্রু ঝরে। তুমি উপরে ছিলে নীলাকাশ নিচে ছিলে সবুজ ভূমি। তুমিহীণ কাতর আমি শুণ্য ধূলির ধরনী বারবার তবু স্রষ্টারে
আমি তোমাকে সাজাবো সাজাবো কবির কল্পনায় মনের আলপণায় নয় ললাটে সিঁদুর হাতে শাখা পায়ে ছন্দের নূপুর পরিয়ে নয় তবুও আমি সাজাবো এ বাসনা আমার সহজাত তোমাকে সাজানোর এ সব অলংকার
কি ব্যাপার জলিল সাহেব, ভাবিকে দেখলাম হন্তদন্ত করে বেরিয়ে যেতে। হ্যাঁ ভাই ব্যাংকের চাকুরি তারপর সকালবেলা অফিস টাইমে লম্বা লম্বা সিগন্যাল পেরিয়ে যেতে হয়। সময়ের দরকার, তাই আরকি। রূপালীকে আজ
শৈত্যপ্রবাহের কুহেলিকা হীম হীম উত্তুরীতে হঠাৎ সূর্য মুখ ঢেকেছে পৌষের মাঝামাঝিতে। ঢাকার মতো জনারণ্যে পড়েছে এমন শীত! কাজকর্মে হাঁটাচলায় গাইছি কেঁপে গীত। হাতমোজা পা মোজায় হয়ে আছি প্যাকেট , শরীরকেও
ট্রেন ঝিকঝিক আওয়াজ তুলে ছুটছে তুমুল বেগে। ঢাকা থেকে খুলনা। বান্ধবী মিলার বিয়ে। ওরা থাকে খুলনায়। ঢাবিতে একই ডিপার্টমেন্টের ছিলাম আমরা। মিলা হলে থাকতো। আমি মামার বাসা থেকে ক্লাসে যেতাম।
২৮/১১/২০২৪ নন্দদুলাল হেড মাষ্টার হয়ে গেল ফাঁক তালে, খুশির খবর শুনলো সবাই মালা দিলো তার গলে। অহংকারেই গদো গদো করেছে যেন রাজ্য জয়, কথার ওপর বলতে কথায় লাগে না মনেতে
তুমি খুঁজেছো ঝরা তারা আমি খুঁজছি তোমায় দু’জনার চাওয়া মিলেনি তাই ভিন্ন দু’রকম চাওয়ায়… আমি খুঁজেছি চন্দ্রিমায় তুমি খুঁজছো আঁধারে দু’জনার মনবাসনাই ভিন্ন পাবো কি করে
আমরা অপেক্ষা করি একসময় ভালো দিন আসবে তারপর… আমাদের অপেক্ষাকৃত সময় উপেক্ষিত হয়,সন্ধ্যা হয়, অন্ধকারের রং গাঢ় হয়। তারপর… ব্ল্যাক সার্কেল; চোখের জ্যোতি কমে মোটা ফ্রেমের চশমায় পাওয়ার বাড়ে চুলের
জয় বাংলা ,জয় বাংলা হটাৎ ভেসে এলো চিৎকার দূর থেকে, তবে কী বিজয় হয়েছে বাংলাদেশ কী আজ স্বাধীন! আমি শেফালি , ডাক নাম শেফা ইন্টারমিডিয়েট প্রথম বর্ষ, ডাকাবুকো সাহসী মেয়ে
জলপাই রঙের স্বাধীনতা মেনে নেয় না জাতি এটা ইতিহাস —প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত নয়, সরাসরি, এ্যাকশন এই বাঙালি রুখতে জানে, জলপাই বনের বাঘ আর খাকি পোশাকের হায়েনাদের রুখে দিয়েছিল নব্বই আছে, একাত্তর