স্বপ্নমায়া .. স্বেচ্ছায় উধাও হও নিরুদ্দ্যেশের সীমায় ভেঙে গুড়ো গুড়ো হয়ে নিশ্চিহ্ন হওয়ার আগে নিজেকে বাঁচাও ! উড়ে যাও দূরে বহুদূরে অন্ধকার ডুবানো কোনো সত্য ভুবনে , তোমাকে খুঁজেপেতে দিও
বুড়ি মরে গেল। বুড়োটা ভাঁজ হয়ে থাকা চামড়ার মাঝে ছোট্ট বসে যাওয়া চোখখানা দিয়ে দেখলো… কিছু জল চোখের কোণ থেকে ঝরে পড়লো… লোক দেখানো শোক চললো কিছুদিন, তারপর যেন এক
অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। ছবি: সংগৃহীত ‘বইয়ের পেছনে বিনিয়োগ হচ্ছে না, জাতির চিন্তায় কীভাবে স্বচ্ছতা আসবে?’ আজ শুক্রবার বন্দরনগরী চট্টগ্রামে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের বই পড়া কর্মসূচির পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা
খুব করে চাইতাম বইমেলায় লাখো মানুষের ভিড়ে তোমার সাথে আমার দোখা হোক, পথ চলতে চলতে তোমার কাঁধ আমার কাঁধে লাগুক… সব সময়ই চাইতাম টং দোকানের গরম রঙ চা-টা তোমার শাড়িতে
০২/০৭/২০২৩ ইং এমন করে শতাব্দীকাল বৃষ্টির ফোয়ারায় ভাসতে থাকুক তোমার পৃথিবী তোমার সমস্থ পথ প্রান্তর সাগর মহাসাগর। ভিজতে থাকুক থৈ থৈ করে দমকা হাওয়ার ছোবলে তোমার এলোমেলো অভ্যন্তর। আমি আদি
ব্যথা দিয়ে যায় বুকে, কাঁদে মন ধুকে ধুকে, কি হারালো কি বা পেল জীবনে….!! সীমাহীন স্বপ্ন চোখে, রঙিন ছবি আঁকে স্মৃতিরা কথা বলে গোপনে…!! কি যে আশা কি যে ভাষা
বাইরে প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টি হচ্ছে। কালো মেঘে আকাশ ছেয়ে গেছে। বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে। বাতাস বইছে। ক্ষণিক পরপর মেঘেরডাক শোনা যাচ্ছে। দমকা হাওয়ায় রুমের পর্দাগুলো উড়ে চলছে অবিরাম। শীতল বাতাস কক্ষকে হিমশীতল
অনাবাদি জমিন খোড়ো জোড়া স্তনের ঈষৎ নম্রতা ভুলে ! এলোকেশী আকাশী মেঘের চুল ছুঁয়েছো নিতম্বের বক্রতায় বেমালুম !? যৌবন ক্ষনিকের গোপন মায়ার অহংকার ছলাৎ ছলাৎ বৃষ্টি ভেজা মৌসুম যাবে ফিরবে
চোখে সবুজ তুলে রাখছি তোমার মুখ আর ঠোঁটের পুরুত্ব ভাবনার ইন্দ্রজাল জুড়ে সবটুকু নিঃশ্বাস শুষে নিতে আমি বারবার বলি তোমার ঠোঁটের বাঁকা রেখায় আমার আজন্ম তৃষ্ণা ঘোরপাক খায় তোমাকে একবার,
ফোনের কর্কশ রিংটোনে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যায় রিদিমার। ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে দ্রুত গতিতে বলতে থাকে, “ম্যাডাম সুইসাইড কেইস, আর্জেন্ট আপনাকে আসতে হবে…” – ওকে, এড্রেস টেক্সট করুন। – জ্বি