বিভিন্ন কোম্পানি ভিজিট করছি। কনস্ট্রাকশন কাজের জন্য যে ড্রাইভার বিল্লাল ভাই নিয়ে এসেছিলেন সেই হলো আবদুল হালিম। হালিম আবার আমার ড্রাইভিং শেখার ওস্তাদ। হালিম বললো সে রিলিজ নিবে না। আমার
সময়মতো কোচিং ফি না দিতে পারায় স্যারের কাছে প্রতিদিন প্রতিদিন মার খায় রাতুল। আজকেও বাবা টাকা দেয়নি। কাঁধে ভারী ব্যাগ নিয়ে রাশেদ স্যারের বাসার সামনে দাঁড়িয়ে আছে সে। ঘরের ভেতর
মেঘের ছায়ায় তাঁরাগুলো আজ আমায়, মন ছুয়ে যায় তোমায় আমায়। জোছনা রাতের ঐ সন্ধ্যা তাঁরায়, মেঘের আড়ালে হারিয়ে যাই আমরা দু-জনায়। মায়ায় জরিয়েছি না দেখা তাঁরায়, মেঘ কেটে দেখা
কবিতার টানে ছুটে যাই ফুটপাতের চায়ের স্টলে কিংবা ফাইভ স্টারে, ২০২১ সালে আবৃত্তির একটি লাইভ অনুষ্ঠানে আমাকে অপমান করা হয় আমার এলোমেলো চুল এবং সাদামাটা পাঞ্জাবী দেখে, উল্লেখ করেই বলি
(চাঁদপুরে ইলিশ মাছ কিনতে গিয়ে লঞ্চঘাটে বসে লেখা কবিতা)। —————— নদীর পাড়ে কিছু সময় বসেছিলাম হয়তো কোনো একদিন এখানটায় খেয়াঘাট ছিল এখন বড় বড় লঞ্চ ভিড়ে, ব্যস্ততম জায়গা এটি। জলোচ্ছ্বাসের
একজন ৮০ বছর বয়সের ভদ্রলোক ডাক্তার এর কাছে গেছে জেনারেল চেকআপ এর জন্য। ডাক্তার ওনার শরীরের অবস্থা দেখে আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলেন…* ডাক্তার: “আপনার এত সুন্দর স্বাস্থ্যের রহস্যটা কী? নিশ্চই
ফোনের পর্দায় ঝলসে ওঠে নতুন পৃথিবী, পনেরো সেকেন্ডের বুদবুদে আটকে থাকে সময়। কেউ নাচে, কেউ হাসে, কেউ অযথা চিৎকার করে লাইকের গণনাই এখন ভালোবাসার একক। বইয়ের পাতাগুলো জমে থাকে আলমারিতে,
ফেলে আসা দুঃখ স্মৃতি,আসে বার বার, খুজিনি তাই হেথা সুখ। কঠিন শ্রমের কাজে,ঘর্মাক্ত দেহ নিয়ে, কাটাই জীবন, প্রবাসে এসে। ক্লান্তি শেষে অবসরে বসে, হৃদয়ের চোখ খুলে,সদুর প্রান্ত হতে, দূর পথে
একুশের শানিত চেতনার ফসল আমার স্বাধীকার আমার গৌরব গাঁথা স্বাধীনতা। অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক শান্তি সার্বভৌমত্বের গ্যারান্টি আমার রাজনীতির অঙ্গীকার স্বাধীনতার অলংকার একুশ আজ বড় অসহায়। হে একুশ তুমি প্রানের আবেগ
ফেরিয়ালা, ও ফেরিয়ালা, মনে কি পরে সেই ছোট্ট বেলায়, হাক ডাক ছেড়ে, এসে আংগিনায়, বেচাকেনা লোভে, শুধুই ছল করে, ডেকে নিয়ে দেখাতে, ছোট্ট বেলার, কল্পনার এ্যালবামে রাখা, আমাদের জীবনের বিচিত্র