এক যে ছিলো নেকড়ে শেয়াল অন্ন ছাড়া গেলো যে কাল— আজ আর পারছে নে, গর্ত বসে কাঁদে বাচ্চা কোথায় গেলো দোস্ত সাচ্চা পথটা বাতলে দে। অন্ধকারে হেঁটে হেঁটে জিভটা দিয়ে
Rimon Khan নামে এক আইডি আমি নাসরীন খান- আমার লেখাটি নিজের নামে পোস্ট করে আরও নয় জনকে ট্যাগ করে নিজের নামে চালিয়ে যাচ্ছে। শেয়ার নয় একেবারে ডিরেক্ট তার নামে। যদিও
২০০৫ সালের ৫ আগষ্ট ২জন কপোত কপোতি করেছিল যাত্রা এক অজানা গন্তব্যে এক ডিঙ্গি নায়, এই নায়ের যাত্রী ছিল তারা ২জন। আরো সহযাত্রীর তারা করেছিল আশা, খোদা তাদের সেই আশা
আমার বাবা প্রায়ই রাতে বাড়ি ফেরেন না। এই নিয়ে মায়ের তেমন মাথা ব্যথা নেই। উনি দিব্যি রাঁধেন বাড়েন আমাদের খেতে দেন। কিন্তু নিজে না খেয়ে থাকেন। আমরা ঘুমাতে গেলে আম্মা
‘সবাই বলে আমি ভীষণ ইমোশনাল বাস্তব জ্ঞান বুদ্ধি কম, জগতের সকল কঠিন বিষয়কে স্বাভাবিকভাবে দেখি’। আসলেই আমি একজন ইমোশনাল মানুষ সবকিছু বড় হালকা মনে হয়, কঠিন করে কোনো কিছু ভাবতে
যেদিন প্রথম পাতা দেখে তাকিয়ে গাছটি দেখেছি শেষ পাতাটি ঝরে যাবার পরে এখনও দেখছি বুঝতে পারছি না, সে ফুল না-কি এখনও পাতা! এই নভেম্বরে খুব বেশি আবার আকাশে উড়েছি আমাকে
দিনে দিনে জমে গেছে কষ্ট অনেকগুলো বুকের মধ্যে জমছে খানিক কাঁকর বালির ধুলো! শুকনো নদী দুচোখ এখন জল পিপাসু যখন তখন চাঁদনী রাতে ঝোপের ধারে জোনাক জ্বলা পুকুর পাড়ে ——
দিন চলে যায় দিনের মত হাঁটছি পথে একা ফেসবুকের ঐ দেয়াল জুড়ে হাজার কথা লেখা। হাজার কথা হাজার মানুষ বুকের মাঝে ফাঁকা! তাই তো আমি শহর জুড়েই হাঁটছি একা একা
মন সে তো পদ্ম পাতায় শিশির এলোমেলো ভাবনায় টইটুম্বুর; কখনও সে আকাশ ছোঁয়, কখনও পাতালে হারায়! দূরন্ত, দুর্বার উদ্দিপনায় খুঁজে নিত্য নতুন কল্পনা, মনের অজস্র ভাবনায়, রঙিন চাদরে
কথার যাদু বলেন আর ম্যাজিক বলেন কোনটাতেই জীবন চলে না। দুটোতেই সাময়িক মুগ্ধতা ছড়ায় যা একটু পরেই হাওয়ায় মিলিয়ে যায়। মিষ্টি মিষ্টি কথা যারা বলেন তাদের সবাই না বেশীরভাগই মানুষের