হঠাৎ সেদিন বৃষ্টি জলে নিত্য করে হলুদ মেয়ে অসংখ্য সবুজ পাতার ফাঁকে মিষ্টি হাসি মুখে, সে যেন সেজে রয়েছে সাদাপারা হলুদ বর্ণ শাড়িতে, এলোমেলো চুলে কাজল মাখা দু’চোখে। কী অপরূপ
#অন্তরালে পর্ব (১) বিবর্ণ,মলিন সুরম্য প্রাসাদসম বাড়িটির মুল ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে আছে অচেনা এক তরুণী। কালের বিবর্তনে দেয়াল খসে পড়া, ঝাড় জঙ্গলে আবৃত এ বাড়ির আশেপাশে ভুত প্রেতও হেঁটে যেতে
এই যে কত মিষ্টি ভাষায় বলে দিলে চার বছর সংসার করার পরেও ছেড়ে যাবে? প্রতিউত্তরে কিছুই বলতে পারি নি কেনই বা বলব বল? বলার কোন প্রয়োজন পড়ে নি! কি’বা বলার
ক্রাশকে চুমু অথবা থাপ্পড় দেওয়ার মতো সাংঘাতিক লেভেলের ডেয়ার দেওয়া হয়েছে আমাকে। বিশ্বাস করেন, ক্রাশকে পছন্দ করি। কিন্তু চুমু খাওয়ার মতো দুঃসাহস আমার এই ছোট্ট মনে নেই। কথায় আছে ঘর
একদিন তোমার কাছে চেয়েছিলাম বর্ষার প্রথম কদম হৃদয় রাঙ্গাবো বলে চোখ বুজলে দেখতে পেতাম কদম হাতে দাঁড়িয়ে আছো কাকভেজা হয়ে আমার আঙিনায় , চেয়েছিলাম আষাঢ়ের ঝুম বৃষ্টিতে দুজনে একসাথে ভিজবো
বাবা মারা গেছে আজ ক’দিন হল। পুরো বাড়ি জুড়ে এখনও শোকের ছায়া। জীবন থেমে থাকেনি। মা রান্না ঘরে রুটি বানাতে বানাতে শাড়ির আচল দিয়ে চোখ মুছছে। আমি দূরে বসে ভাজির
একটা ছোট্ট মনে আশা ছিলো ভালোবাসাও, স্বপ্ন ফুঁড়ে রাজপুত্র ঠেলে দিলো অন্ধকূপে | ফালা ফালা নগ্ন হৃদয় ছিন্ন করে বস্ত্রখানি, চিৎকার যেন ঠেলে বেরোতে চেয়েছিলো নিশ্চুপে! ফেরার আশা নিশ্চিহ্ন করে
এই পৃথিবীতে কিছু মানুষ আছে যারা শুধু বাস্তবতা মেনে চলে। চাক্ষুষ যা দেখে সেটাই তারা বিশ্বাস করে। তবে তারা অজানা বিষয়গুলোকে একেবারে অবাস্তব মনে করেন না। কিন্তু যারা অতি বাস্তববাদী
কেন এত প্রখর রুদ্রমুখি রোদ্দুর সন্ত্রস্ত নীলয় ছাতি কাঁপে দূর দূর না সহে জান অনন্ত গরম ভ্যাপসা বিষম চাই জলবতী মেঘ বৃষ্টি দুরাশা ঘাম ঝরে অবিরাম বৃষ্টির নহরে তৃষ্ণার্ত বিবর
কিছুই না পেয়ে সব পেয়েছির নাম ভালবাসা| সবকিছু পাওয়ার পর ঘৃণার নামও ভালবাসা| লাঞ্ছনা আঘাতে ভুলুন্ঠিত কষ্টের নাম ভালবাসা অস্ফুট বেদনায় নিঃসীম বিরহের ___ _করুন সুরের নাম ভালবাসা|| আঘাতের ছোবলে