(গোটা বিশ্বে ভাইরাল হওয়া আমাদের সেফু দা) #আমি_হোলাম_মস্ত_দাদা_সেফু “ আমি হোলাম মস্ত দাদা সেফু শব্দ বোমা ফাটিয়ে করি কাবু কিছু হোলেও সত্য বলি কথা মাঝে কারো মনে লাগে ব্যথা খা
মুসা (আ:) অবাক হয়ে আল্লাহর কাছে জানতে চাইলেন একজন কসাই তাঁর এমন কি আমল আছে যার কারনে আপনি আমার সাথে জান্নাতে বসবাস করতে দিবেন? আমার অনেক জানতে ইচ্ছে করছে। আল্লাহ
তুমি বরফ ভালোবাস ? সোমা লজ্জা পেয়ে মাথা নীচু করে ফেলেল। সে বরফ ভালোবাসে। তার খুব ইচ্ছে তুষারপাত দেখার । কিন্তু আশ্চর্য, এই ছেলে সেটা জানল কি করে ? চয়ন
ডিসেম্বরের শহরে হারিয়ে যেতে হয়েছে আমাদের, নভেম্বর রেইন গান শুনে ফেলার আগেই। সদ্য ভোরের প্রার্থনায়- নাকে লেগে থাকা ফুলের গন্ধ ততক্ষণে বাসি, চোখে বিষাদের নাম হয়ে গেছে ততক্ষণে- ক্লান্তি। রোদ
বর্ধিঞ্চু আয়ুষ্কালে হৃদস্পন্দিত চাঁপা বেদনা। আকারেই নিরাকারের আবির্ভাব! রিক্ত হস্তে বারংবার ত্রিশূলের আঘাত! ক্রমাগত রক্তক্ষরণ……. অদৃশ্য;তবুও মৃত্যুবাণসম। নিঃশেষিত নিষ্পেষিত নিস্প্রভ প্রাণবায়ু! বাকশূন্য বধিররূপী অন্তরাত্মার চাঁপা ক্রন্দন। আর কত? নিরাশার দোলাচালে
অত্যন্ত সুন্দর করে সাজানো ঘরটা। জানালায় নতুন পর্দা। দেয়ালে চুনকাম করিয়ে তার উপর নকসা করা হয়েছে। মেঝেতে গোলাপ-গাদার পাঁপড়ি দিয়ে একটি বড় ফুল আঁকা। তার ভেতরে একটি মঙ্গলদীপ জ্বলছে ডালডার
“মহা-বিদ্রোহী রণকান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত। যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে-বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারীর খড়গ কৃপাণ ভীম রণ, ভূমে রণিবে না- বিদ্রোহী রণকান্ত, আমি সেই দিন হব শান্ত।”-আজ ১১ জ্যৈষ্ঠ
বোঝে না চেতনা করোনা বোঝে না ফেতনা। করোনা বোঝে না কে পিতা কে মাতা করোনা বোঝে না কে ঋনী কে দাতা। করোনা চিনে না পুলিশ, পাবলিক করোনা বোঝে না মালিক,
ঝুঁকে গেলে কেউ ছোট হয় না। সিজদায়ে পাথরও হতে পারে দেবতা। কুন ফায়াকুন সবই কুদরতের খেলা। বিশ্বাস রাখো, বিশ্বাসে মিলে খোদা!!
তুমি যখন এক বুক সমুদ্র নিয়ে বলো ভালোবাসি আমি তখন বেশ অসহায় হয়ে যাই। আবার যখন প্রেমার্দ্র নয়নে আমার সামনে এসে দাঁড়াও পরম মমতায় বলো ভালোবাসি, যখন বলো আমার হৃদয়ে