বহুদিন ধরে পূর্ণিমা দেখা হয় না তিতিরের। সুপার মুনও আর দেখার আগ্রহ জাগে না মনে। একবার ভরা পূর্ণিমায় হৃদয় আলো করে এসেছিলো প্রেম। তমাল ছিলো সে প্রেমের সারথি। দুজনে মুখোমুখি
-আমি আর মাদ্রাসায় যামুনা মা। ওহাবের গলায় করুন আকুতি। -ক্যারে যাতে হারাদিন টইটই কইরা আজাইরা ঘুরতে পারস? ঝাঁঝালো গলায় খেঁকিয়ে উঠল আমেনা বেগম। -হুজুরে আমারে খালি মারে। – কথা হুনবিনা
তনয়ার জীবনে অয়ন নামের প্রেমিক ব্যাংকারের আগোমন।দু’বছরে তাদের সম্পর্ক গভীরও হয়েছে অনেক। হঠাৎ অয়নের পোষ্টিং। অয়ন চলে গেল যোগোযোগ কমিয়ে দিলো।এক মাস পর তনয়া বুঝতে পারলো সে প্রেগন্যান্ট। ঐদিনই অয়ন
ধবধবে সাদা বিছানার চাদরে বসে তিতলী কেঁদেই চলেছে। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে সে কল্পনায়ও আনতে পারে নি। আধুনিক যুগেও এমন চিন্তাভাবনা মানুষ কিভাবে নিজের মাঝে লালন করে!? এদিকে
তৃষার বিয়ে।বাবা নেই,মা এখনো বর্তমান। বিয়ে বাড়ির আনন্দে কোথাও কমতি নেই।বিউটিশিয়ান সাজিয়ে দিচ্ছে তৃষাকে।দু’চোখ ভরে দেখে যাচ্ছে ছোটবোন অমানিশা। একটি শব্দ কবুল বলেই বর পক্ষের তাড়া, নিয়ে যাবে তাদের বউকে।
মিথিলাদের বাড়িতে আজ মেহমানের সমাগম। খুশির জোয়ারে ভাসছে চারপাশ। সবুজ-মিথিলার পারিবারিক ভাবে বিয়ে হলেও তাদের মধ্যে বোঝাপড়াটা বেশ। চার বছর পর এমন খুশির সংবাদ । মা হতে চলেছে মিথিলা। সংবাদটা
নিজের হাতে ফল কেটে চমৎকার প্লেটে পরিবেশন করে আপনি পরিবারের সদস্যদের যত্ন করে খাইয়ে এসেছেন এতদিন! এবার নিজে খান। মরশুমি ফল খান। পারলে প্রতিদিন কয়েকটুকরো পাকা পেঁপে খান। একটুকরো মুখে
যুবতীর গুণের প্রশংসা শুনে তার প্রতি মুগ্ধ হয়ে না দেখেই বিয়ে করেন এক যুবক। স্ত্রীকে বাসর ঘরে গিয়েই প্রথম দেখেন। কিন্তু স্ত্রীর ঘোমটা খুলতেই তিনি মনোবেদনায় বিষণ্ণ হয়ে পড়েন। দেখেন,
পর্ব-১ মানুষ স্মৃতি বাঁচিয়ে রাখতে বড্ড ভালোবাসে, নিজেকে কষ্ট দিয়ে হলেও প্রায় প্রত্যেক মানুষই এক জীবনে তার মস্তিষ্কের কুঠুরিতে হাজারও স্মৃতি জমিয়ে রাখে । মা মারা যাবার তিনদিন পর আব্বা
সত্তোরোর্ধ বৃদ্ধ অনিমেষ বাবু গ্রামের ভিটে আগলে পড়ে আছেন আজও | ছেলেরা সব শহরে সেটেলড | কদিন ধুঁকছেন প্রচন্ড কাশিতে| দেখার লোক কেউ নেই | হঠাৎ শুনতে পেলেন সে কাশলেই