[ এই রচনার সহিত কোনো ব্যক্তি বিশেষের মিল ঘটিলে তাহা কাকতালীয় বলিয়া গণ্য হইবে। কেহ এই রচনায় নিজেকে প্রত্যক্ষ্য করিলে লেখক দায়ী নহেন। অনভিপ্রেতভাবে এই রচনায় কেহ নিজেকে আবিস্কার করিলে
তোমার ঐ শ্রাবণ সন্ধা টুকু দিও আমায়, আমি বৃষ্টি হয়ে তোমার বুকেই ঝড়তে চাই। তোমার ঐ মেঘের ভেলায় দিও আমায় একটু ঠাই, আমি আকাশ খামে তোমার নামে প্রেমের চিঠি পাঠাতে
তাহা হইলে কি এই কথাই প্রমাণিত সত্য ? ধাক্কা দিয়া ফেলিয়া দিলে দোষ নাহি হইবে, ধাক্কা লাগিয়া পড়িয়া গেলে জেল-হাজত হইয়া যাইবে। নহে এই প্রহর কোন কাব্যের, নহে ছন্দময় কল্পকথার
সেতারা মনুর দিকে কাম্যমনে চেয়ে রইলো আর মনে মনে ভাবে এই সুন্দর যুবককে মোছলেমা গ্রহন করে না এই স্পর্ধা দেখে অবাক লাগে।তার রুপ ও গুনের জন্য যে কোন নারী
সারাহ: রোশান স্যার, আমি কি একটা প্রশ্ন করতে পারি..? রোশান স্যার: করো সারাহ : একটা আস্ত হাতিকে কিভাবে ফ্রিজে রাখবেন ..? রোশান স্যার: জানি না! সারাহ : খুব সহজ, আগে
তার জন্যই আমি ছাদে উঠতাম। গাছে পানি দেবার নাম করে বসে থাকতাম। কিন্তু সে ছিলো নির্বিকার।চোখাচোখি হলেও চোখ নামিয়ে নিত। আমি তাকিয়ে থাকতাম বেহায়ার মত। বুঝতে চাইতাম তার ব্যাথা।কেন সে
ভয়ংকর এক বৈশাখি ঝড় বৃষ্টির রাতে শফিক সাহেব আর নাজনীন আরা বাবা-মা হন। আবহাওয়ার কারনে তাদের হাসপাতালে আসতে বেশ দেরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরও আল্লাহর অশেষ রহমতে ডাক্তার শেষ পর্যন্ত
মাঝরাতে বেলকুনির ঠান্ডা বাতাসে বসে গিটারটা নিয়ে হৃদযন্ত্রে ব্যা’থা দেওয়ার গান করি। সোজা বাংলায় যাকে লোকে বলে ছ্যাঁ’কা খাওয়া গান। আমার কাছে এগুলোই জীবনের গান, ভালোই লাগে বেশ। তবে পাশের
মানহা নামের পাখিরে তুই ভাগ্যবতী এমন আছেরে আর কই বাবা তোর একশ পার্সেন্ট বিজেশ্বর দাদার বাড়ি খনকার বাড়ি দাদী তোমার ভুঁইয়া বাড়ি আহা এ কি প্রাণেরশ্বর মরি মরি কি যে
দিন,মাস,বছর প্রদক্ষিণ হয়ে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হয়।ঋতু তার মেয়ের ছবি নিয়ে হিমু বাসস্থান রাজশাহীতে বেড়ানোর জন্য আসেন।দু’বন্ধুর দীর্ঘ বিচ্ছেদেই হঠাৎ দর্শনীয় তাদের অন্তরতম মিলন মধুর হয়ে উঠে।ঋতু মনুকে আদর