পা গুটিয়ে বসে আছি বিছানার কিনারায় মশারীর গা ঘেঁষে। মধ্যেরাতের বেরসিক মশারা কানের কাছে বিরতিহীন সুর তুলছে। এখন গভীর রাত। ঘড়ির কাঁটা একটার ঘর অতিক্রম করেছে অনেক আগেই। শোয়া দরকার,
আমি লেখক নই, একজন পাঠক মাত্র। সময় পেলেই পড়ি। অবশ্য মাঝে মধ্যে ফেইসবুকে টুকটাক লিখি। নিজের জন্যই লিখি। বড়জোর, আমাকে ফেইসবুক লেখক বলা যায়। বেশ কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী, সহকর্মী, বন্ধু ও
মাকসুদ সাহেবের বিবাহিত জীবনের বয়স তেইশ বছর। ত্রিশ বছর বয়সে বিয়ে করে ঘরে এনেছিলেন কলেজ পড়ুয়া বছর বাইশের এক তরুণীকে। তবে সংসারে এসে ছোট থেকে বড় কোন বিষয়েই তার স্ত্রী
এখন প্রতিদিন ঐ জায়গা টায় গিয়ে দাড়াই। তুই যেখানে দাড়াতি। ঠিক ঐ জায়গাটায় তাকিয়ে থাকি,যেখানে তুই তাকাতি। কত বছর হয়ে গেল,তবুও বোঝার চেষ্টা করছি কেন তুই আমার প্রেমেই পরলি না!
৪র্থ বার কল দেওয়ার পর কিছু বলে ওঠার আগেই ওপাশ থেকে রিসিভ করা মানুষটা অনর্গল শুনিয়ে গেলো, কল যখন রিসিভ করিনি,তারমানে ব্যস্ত ছিলাম! এতোবার কল দিয়েছো কেনো? জানো না ওটা
মা প্লীজ মা আমাকে এই খেলনাটা কিনে দেও না। আমি তোমার কাছে আর কখনো কোন খেলনা চাইব না,মা। আমি অসহায় চোখে ওর দিকে তাকিয়ে আছি। ব্যাগের চেইন খুলে একবার ভিতরে
সতেরো মার্চ উনিশ’শো বিশে,জন্ম নিলো এক সন্তান, মা ছিলেন সায়রা খাতুন,আর বাবা লুৎফর রহমান। সবাই মিলে নাম রাখিলো,ডাকবো খোকা বলে, খোকা পেয়ে খুশি মা’, ———-আঁখি ছলছলে। ধীরে ধীরে হলো বড়,
রাত আর কতোই মমতা দেয় জড়িয়ে নেয় ঘুম তবুও খুব করে ভালোবাসি তোকে- ভালোবাসি স্তনের কুঁড়ি ফুটি ফুটি একটা ঘোর চুষে খাই মায়ায় তোর কোমল ঠোঁটের স্মিত হাসি দেখি গায়ে
“বঙ্গবন্ধু” কে নিয়ে লিখবার দুঃসাহসিক অভিযাত্রায় কতটা সফলকাম হতে পেরেছি তা একান্তই পাঠকদের বিবেচনালব্ধ ব্যাপার। তারপরেও কিছুটা আত্মতুষ্টি থেকে রৌদ্র সেবনের আপ্রান চেষ্টা আরকি। ত্যাগের মহিমায় অর্জিত অনুভূতি হতে জীয়ন্তকাল
সূচনা পর্ব লাল বেনারসী পড়ে রাতবিরাতে কোনো মেয়েকে যদি ছাদে অবাধে বিচরণ করতে দেখে; সেই মেয়েকে নির্ঘাত সবাই পাগল ভাববে। বিয়ের শোকে এমনই একটি পাগলপ্রায় অবস্থা হয়েছে মেহেরের। কই এসেছিলো