খুব দূরে খুব করে বসে থাকে পোষা কুকুর মাছের কাঁটায় তখন বিড়ালের ঠোঁটে চোট কোলাহলে মেতে পাতিহাঁসের ছানা- পোনা সদর উঠোন জুড়ে হাসে সোনালী রোদেরা ভাব করে হেঁটে যায় কোমল
এরকম অদ্ভুত পরিস্থিতিতে কখনো পড়িনি।।একটা রেস্টুরেন্টে এসেছিলাম বাবার বন্ধুর মেয়ের বিয়েতে। মেয়েটি অল্পস্বল্প চেনা। বাবার কাছেই শুনেছি মেয়েটি পড়াশোনায় খুব ভালো নাকি। দেখতে মোটামুটি, সুন্দরী বোধহয় বলা যায় না। বরং
শারীরিকভাবে অক্ষম পুরুষটা যখন আমাকে দুশ্চরিত্রা অপবাধ দিয়ে,আমার সাথে সংসার করতে অস্বীকৃতি জানায়। তখন আমার স্বামীর ভালোবাসাহীন শ্বশুরবাড়িতে কাটানোর ছয়মাস পূর্তি দিবস। সেই দিন আমি নিশ্চুপ হয়ে এক কাপড়ে ছোটভাইয়ের
রঞ্জনা মন খারাপ নিয়ে কাজ করছে । যেটুকু জিনিসপত্র গোছানো বাকি ছিল, সেগুলো এই শেষবেলায় গুছিয়ে নিচ্ছে । কেন যে এতো মন খারাপ হচ্ছে, রঞ্জনা নিজেও বুঝতে পারছে না ।
ও আমার বর্ণমালা জড়িয়ে রাখিস কণ্ঠমালা হয়ে.. সারাটা জীবন থাকিস কথা বলার সাহসে নির্ভয়ে.. আমার এই মা বলা তুই লেখার ভাষায় শিখিয়ে দিলি আমায়.. আমার এই প্রাণের ভাষা সৃজনগাথা কার
০৭.০২.২০২১ একুশ আমার অহংকার, একুশ আমার গর্ব, একুশ আমার স্পন্দিত প্রাণ, একুশ আমার সর্ব। একুশ আমার মায়ের ভাষা। স্নিগ্ধ প্রাণের খুশি, বোনের পায়ের রূপার পায়েল। ভাইয়ের মুখে হাসি একুশ আমার
তোমার নির্বাক মুখে যখন তাকাই চারপাশ ভীষণ শূণ্য লাগে; নদী,সমুদ্র,গাছ- পালা পাখি– স্তব্ধ,স্থবির ও ভাষাহীন হয়ে যায়। তোমার দুর্বোধ্য ইঙ্গিত আমায় আহত করে, নিক্ষিপ্ত করে কোনো গহ্বরে, তোমাকে আবিষ্কার
ভালোবাসার ঝড় উঠেছে মনের গহীন বনে, প্রেমের মাতাল হাওয়ায় মন দুলছে ক্ষনে ক্ষনে । সব কিছু ই রুঙিন মনে হচ্ছে কেন আজ ? পুলকিত মন গাইছে গান ভুলে সকল লাজ
কবির কবিতা জীবিত, প্রতিটি লেখায় থাকে ভিন্ন স্বাদ, কখনো কাঁদায়,কখনো হাসায় কখনো ভাবের জগতে চলে যায়। কবিরা লিখে যায় নির্জনে নিবৃত্তে মনের গহীনে থাকা সুপ্ত কথাগুলো কাব্যকথায় লিখে যায় ডায়েরীর
আজকে মাগো পাশের বাড়ি হয়নি কিছু রান্না, খেলতে গিয়ে শুনতে পেলাম তাদের করুণ কান্না। সারাটা দিন না খেয়ে সব ক্ষুধার জ্বালায় মরে, খাবার মত এমন কিছু নেই যে তাদের ঘরে।