সতেরো মার্চ উনিশ’শো বিশে,জন্ম নিলো এক সন্তান, মা ছিলেন সায়রা খাতুন,আর বাবা লুৎফর রহমান। সবাই মিলে নাম রাখিলো,ডাকবো খোকা বলে, খোকা পেয়ে খুশি মা’, ———-আঁখি ছলছলে। ধীরে ধীরে হলো বড়,
রাত আর কতোই মমতা দেয় জড়িয়ে নেয় ঘুম তবুও খুব করে ভালোবাসি তোকে- ভালোবাসি স্তনের কুঁড়ি ফুটি ফুটি একটা ঘোর চুষে খাই মায়ায় তোর কোমল ঠোঁটের স্মিত হাসি দেখি গায়ে
“বঙ্গবন্ধু” কে নিয়ে লিখবার দুঃসাহসিক অভিযাত্রায় কতটা সফলকাম হতে পেরেছি তা একান্তই পাঠকদের বিবেচনালব্ধ ব্যাপার। তারপরেও কিছুটা আত্মতুষ্টি থেকে রৌদ্র সেবনের আপ্রান চেষ্টা আরকি। ত্যাগের মহিমায় অর্জিত অনুভূতি হতে জীয়ন্তকাল
সূচনা পর্ব লাল বেনারসী পড়ে রাতবিরাতে কোনো মেয়েকে যদি ছাদে অবাধে বিচরণ করতে দেখে; সেই মেয়েকে নির্ঘাত সবাই পাগল ভাববে। বিয়ের শোকে এমনই একটি পাগলপ্রায় অবস্থা হয়েছে মেহেরের। কই এসেছিলো
আমার ভালোবাসার গভীরতাকে অনুভব করতে পারো? অনুভব করতে পারো আমার হৃদয়ের বিশালতা? বুঝতে পারো আমার ছোট্ট ছোট্ট দুর্বলতা গুলোকে? কাছে এসো…… কান পাত আমার বুকে! শুনতে পাও আমার হৃদয়ের স্পন্দন?
আসলামু আলাইকুম স্যার ওলাইকুমুস সালাম। তোমার নাম যেন কি? স্যার আমার নাম সানজিদা রহমান তুমি তো ১ম বর্ষ জ্বী স্যার আমিতো তোমাদের কোনো ক্লাস নেই না? জ্বীনা স্যার। তবে আমি
আজও পেনশনের টাকাটা হাতে পেলেন না শফিক আলী । আজ টাকাটা না পেলে খুব ঝামেলা হয়ে যাবে । ছোটো ছেলেটার পরীক্ষার ফি জমা দেয়ার সময় আরও তিনদিন আগে পেরিয়েছে ।
নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী জারুল মায়া লাগে আমার তোমার ঠোঁটের আগায়… তখন তোমার ব্যস্ত সময় গোলাপ প্রানের উৎসবে কিছু সময় পর অপরাধবোধ আমাকে গ্রাস করে নেয় আমি কি করতে পারি
পর্বঃ_১ বিবাহের তিন বছর ঘুরতে না ঘুরতেই স্বামীর দেওয়া ডির্ভোসের কাগজটা শ্বাশুড়ি মা নিজের হাতে বয়ে নিয়ে এসেছে আমার বাবার বাড়িতে৷ আজ ছয়মাস ধরে রোদের সাথে কোন যোগাযোগ নেই আমার৷
পর্ব:০১ কাঁপা কাঁপা হাতে ফোন নম্বরটা ডায়াল করলো শাইরা।রিং বাজছে।মনে একটা উৎকন্ঠা ভাব কাজ করছে।মনে হচ্ছে গলা শুকিয়ে যাচ্ছে।ওপাশ থেকে কেউ একজন ফোন তুললো। “হ্যালো,আসসালামু আলাইকুম।আমি শাইরা সাইয়ারা বলছি।” “ওয়াআলাইকুমুস