আমি শেলী, নোয়াখালী আমার জন্মস্থান হলেও বেড়ে ওঠা ঢাকায়। পড়াশোনায় খুব একটা ভালো ছিলাম না, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স মাস্টার্স করেছি। আব্বা ব্যবসায়ী ছিলেন। বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে আব্বার আতর,তসবি আর
মাঝরাতে ঘুমের মধ্যে কারো ভারী নিঃশ্বাস মুখে পড়ায় ঘুমটা ভেঙে গেলো। অন্ধকার ঘরে কাউকে দেখা যাচ্ছে না কিন্তু আমি অনুভব করতে পারছি আমার বিছানার পাশে কেউ দাঁড়িয়ে আছে আর তারই
হ্যালো তরু কেমন আছিস? আমার আর ভালো থাকা। যার দুই দুইটা বিচ্ছু সন্তান আছে । কি যে যন্ত্রনা করে। তারপর আবার বাজার ঘাট সব আমারই করতে হয়। বর তো সংসারের
“স্যার, আমার মনে হয় না এমন কোনো মানুষ পাওয়া যাবে, যে এত টাকার লোভ সামলাতে পারবে! এই পর্যন্ত যে তিনজন আসলো সবাই তো ব্যাগটা নিয়েই পালানোর পায়তারা করছিল।” “তুমি একটু
“দেখ ভাই, আমি কিলার নই, আর হতেও চাই না। কিন্তু তোকে যদি এখুনি সামনে পেতাম।হাতের ছুড়িটা সোজা ঢুকিয়ে দিতাম, বুকের বা-পাশে। তাহলে বুঝতি, বুকের যন্ত্রণা কাকে বলে।” সংগীত কিছু বলার
তুমি? ভোরের পাখি ডাকছে। আজ ছেড়ে যাবো। কথা দিয়েছিলাম। মনে পরে? তোমার-আমার আজ বাসর ঘরের দিন! ভেঙে গেছে ঘর! সময় পথ ভুল করেছে। অসময়ে আজ তুমি? যদি পিছু ডাকো বসবোনা
-‘দিনটা ছিল সোমবার।প্রতিদিনের মতো কলেজের জন্য বের হয়েছি।তখন মনে হয় সকাল সাড়ে সাতটা বাজে।প্রাইভেট পড়তে যাচ্ছি এখন।সেখান থেকে সোজা কলেজে যাবো। অনেকক্ষণ ধরে হাঁটছি!উফ অসহ্য!একটা রিকশা যদি পাইতাম।হেঁটে হেঁটেই যাওয়া
আজ সকালে নাস্তা করতে বসে আমার মেয়েটা চোখের নোনাজলে বুক ভাসিয়েছে। হৃদয় নিংড়ানো এমন শোক, এমন কান্না যে, কোনো সান্ত্বনা বানী দিয়েই সেটা কমানো যাবে না। তাই কমানোর ব্যর্থ চেষ্টা
একেকটা অবহেলিত রাত, যখন অপেক্ষায় থাকি আমার নির্ঘুম চোখে কেউ ঠোঁট বুলিয়ে দেবে, নির্লজ্জ এ চাওয়া তা ঠিক। তুমি তো ব্যস্ত তখন অন্য কারো বুকের খাঁজে গোলাপের ঘ্রাণ খুঁজতে… আমার
প্রসূন বরাবর ই গম্ভীর,কেমন যেন খাপছাড়া,এলোমেলো। কবি মানুষ,তাই হয়তো এমন। সুস্মিতা তাই ভেবে নিয়ে ওর মনকে বুঝিয়ে নিয়েছে।এমন মানুষ তো ভাবের রাজ্যে থাকবেই,প্রকৃতিতে হারাবে,আবার মানবীতেও..অপেক্ষায় থাকা ছাড়া উপায় কী !!