কারে কীযে বলব আমি কথা চুপে শুধু ঢেকে যাই এ ব্যথা, অন্তর মাঝে বাজে কেন সুরে আপন মানুষ আজ রয় কেন দূরে। জানি না তো কিছু ছাড়ি না তো পিছু
সন্ধ্যায় বাবা হাট থেকে গরু নিয়ে ফিরতেই সাইফা কান্না শুরু করলো। বাবা কান্নার কারন জিজ্ঞেস করতেই বললো, ‘আমার এই গরু চাই না। এটা ফেরত দাও। ‘ সাদাফ সাহেব আদর করে
গল্পটি সত্য ঘটনা অবলম্বনে। ভালবাসা ও প্রতারণার গল্প।এক বিদেশী মেয়ে ও বাংলাদেশী ছেলেকে নিয়ে। গল্পের পাত্রীর নাম এখানে ঠিক আছে। কিন্তু পাত্র ও অন্যান্য নামগুলি কাল্পনিক। গল্পের কাহিনী ঠিক আছে,
সারাবিশ্ব তখন মহামারী করোনায় জর্জরিত। প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ছে। টিভি অন করলেই শত শত লাশের দেখা মিলছে। চারিদিকে শুধু হাহাকার। মরনব্যাধি করোনার থেকে অসহায়
সায়েন্স বাংলা বলে,পৃথিবী ঘূর্ণায়নের কারনে দিন ও রাত সংঘঠিত হয়।পৃথিবী তার নিজে কক্ষ পথে একবার ঘুরে আসতে তার সময় লাগে ৩৬৫ দিন। আর এ সময় কাল কে গণনায় ধরা হয়েছে
চোঁয়াল শক্ত করে মুখ নামিয়ে বসে থাকে রনক ওর পড়ার টেবিলে। না, মুখ তুলবে না সে। কিছুতেই না। এই মহিলা দিব্যি তার মার আসনে গেড়ে বসেছে। এতদিন ধরে তিলে তিলে
রান্নাঘরে মসলা ব্লেন্ড করতে করতে শাশুড়ী মায়ের ডাক এলো- “নিসা, এদিকে শুনে যাও।” আগামীকাল কুরবানির ইদ। ভীষণ ব্যস্ততা। আমি হাত ধুয়ে দৌড়ে শাশুড়ী মায়ের ঘরে গেলাম। দেখি হাতে একটা শাড়ি
অনেকদিন দেখিনা মা কে মনে হয় এইতো সেদিন মাস ,বছর , যুগ পেরীয়ে মনের খাঁচার যন্ত্রনাকে যেমনি পাখি পুষে রাখে চোখের তারায় আকাশ থাকে সেথায় এসে মা যে ডাকে ভালবাসার
আমি হারিয়েছি যারে অনন্তকাল খুঁজেছি তারে। বাঁশবনে কাশবনে শিশির ভেজা দুর্বা ঘাসে, মেঘমালা তাঁরা রবি শশী চন্দ্রকলায় তিমির রাতের জোনাকি,ঝি ঝির সুরে। আর কতো জনম ফিরবো বহুরূপে বকের পাখনায় শালিকের
লকডাউনে বন্দি আমি ঘরের কোণে উথাল-পাতাল স্বপ্ন ঘোরে মনের বনে। দেখছি না তো ফুটছে কেমন কৃষ্ণচূড়া দূর আকাশে উড়ছে পাখি মোহনচূড়া। জানছি নাতো মাধবকুন্ডের জলপ্রপাত কেমন করে দেয় ভিজিয়ে পরীর