কবিতার টানে ছুটে যাই ফুটপাতের চায়ের স্টলে কিংবা ফাইভ স্টারে, ২০২১ সালে আবৃত্তির একটি লাইভ অনুষ্ঠানে আমাকে অপমান করা হয় আমার এলোমেলো চুল এবং সাদামাটা পাঞ্জাবী দেখে, উল্লেখ করেই বলি
(চাঁদপুরে ইলিশ মাছ কিনতে গিয়ে লঞ্চঘাটে বসে লেখা কবিতা)। —————— নদীর পাড়ে কিছু সময় বসেছিলাম হয়তো কোনো একদিন এখানটায় খেয়াঘাট ছিল এখন বড় বড় লঞ্চ ভিড়ে, ব্যস্ততম জায়গা এটি। জলোচ্ছ্বাসের
একজন ৮০ বছর বয়সের ভদ্রলোক ডাক্তার এর কাছে গেছে জেনারেল চেকআপ এর জন্য। ডাক্তার ওনার শরীরের অবস্থা দেখে আশ্চর্য হয়ে জিজ্ঞেস করলেন…* ডাক্তার: “আপনার এত সুন্দর স্বাস্থ্যের রহস্যটা কী? নিশ্চই
ফোনের পর্দায় ঝলসে ওঠে নতুন পৃথিবী, পনেরো সেকেন্ডের বুদবুদে আটকে থাকে সময়। কেউ নাচে, কেউ হাসে, কেউ অযথা চিৎকার করে লাইকের গণনাই এখন ভালোবাসার একক। বইয়ের পাতাগুলো জমে থাকে আলমারিতে,
ফেলে আসা দুঃখ স্মৃতি,আসে বার বার, খুজিনি তাই হেথা সুখ। কঠিন শ্রমের কাজে,ঘর্মাক্ত দেহ নিয়ে, কাটাই জীবন, প্রবাসে এসে। ক্লান্তি শেষে অবসরে বসে, হৃদয়ের চোখ খুলে,সদুর প্রান্ত হতে, দূর পথে
একুশের শানিত চেতনার ফসল আমার স্বাধীকার আমার গৌরব গাঁথা স্বাধীনতা। অর্থনৈতিক মুক্তি, সামাজিক শান্তি সার্বভৌমত্বের গ্যারান্টি আমার রাজনীতির অঙ্গীকার স্বাধীনতার অলংকার একুশ আজ বড় অসহায়। হে একুশ তুমি প্রানের আবেগ
ফেরিয়ালা, ও ফেরিয়ালা, মনে কি পরে সেই ছোট্ট বেলায়, হাক ডাক ছেড়ে, এসে আংগিনায়, বেচাকেনা লোভে, শুধুই ছল করে, ডেকে নিয়ে দেখাতে, ছোট্ট বেলার, কল্পনার এ্যালবামে রাখা, আমাদের জীবনের বিচিত্র
এপারে আমি বসে আর বাবা তুমি ওপারে। মাঝখানে নদী তার কেবলি অশ্রু ঝরে। তুমি উপরে ছিলে নীলাকাশ নিচে ছিলে সবুজ ভূমি। তুমিহীণ কাতর আমি শুণ্য ধূলির ধরনী বারবার তবু স্রষ্টারে
আমি তোমাকে সাজাবো সাজাবো কবির কল্পনায় মনের আলপণায় নয় ললাটে সিঁদুর হাতে শাখা পায়ে ছন্দের নূপুর পরিয়ে নয় তবুও আমি সাজাবো এ বাসনা আমার সহজাত তোমাকে সাজানোর এ সব অলংকার
কি ব্যাপার জলিল সাহেব, ভাবিকে দেখলাম হন্তদন্ত করে বেরিয়ে যেতে। হ্যাঁ ভাই ব্যাংকের চাকুরি তারপর সকালবেলা অফিস টাইমে লম্বা লম্বা সিগন্যাল পেরিয়ে যেতে হয়। সময়ের দরকার, তাই আরকি। রূপালীকে আজ