যখন আমি হারিয়ে যাবো কাঁদবে বসে তুমি, তখন তোমায় বুঝতে হবে কে ছিলাম যে আমি। যখন আমি থাকবো নাকো মোদের এই সংসারে, তখন হয়ত থাকবে বসে পথের পানে চেয়ে। যখন
আজ তিন বছর নয় মাস পর আমার প্রাক্তনের সাথে দেখা। দেখা বলতে আমি তাকে দেখেছি কিন্তু সে এখনো আমাকে দেখে নি। টং এর দোকানে দাঁড়িয়ে চা খাচ্ছে, বরাবরই আমার কাছে
“লজ্জা শরম যেন কিচ্ছুটি নেই,ছ্যাহ! ছ্যাহ! পেট দেখলে মনে অয় সাত মাসের পোয়াতি, অথচ একমাসও পেটে রাখবার মুরোধ নেই।” কথাগুলো স্পষ্ট আমার কানে এসেছে। কী সৌভাগ্য দরজার চৌকাঠের সাথে ধাক্কা
ধরণী আজ ধর্ষিত। ধর্ষনের ভারে ধরণী আজ প্রকম্পিত। অঝোরে কাঁদছে ধরণী। কাঁদছে ধরণীর অগণন সন্তান। গাছের পাতা, রোদের ছায়া,শিশির বিন্দু, নদীর জল, সমুদ্রের জলধারা, চাঁদের আলো, সব আজ ধর্ষিত। তাই
আমার আব্বা আজ থেকে ৩৬ বছর আগে মারা যান। ১৩ জানুয়ারি ১৯৮৫। আমার বয়স তখন ছিল ১৯/২০ বছর। আমি বুয়েটের ফার্স্ট ইয়ারে পড়ি। নিচে আরেকটা লেখায় সেই দিনের খানিকটা বর্ণনা
বৃক্ষ ঘুমায়, পক্ষি ঘুমায়, হাওয়া ঘুমায় না.. আমার চোখে আয়রে ও-ঘুম আয়রে ঘুম– আয় না! আয়রে ও-ঘুম– যেমন ঘুমায় পাহাড় নিশীথে যেমন মাঠে শিশির পড়ে সর্ষে-তিসিতে.. যেমন ঘুমায় শীতের শহর
প্রকাণ্ড জমিদার বাড়িটা সময়ের আবর্তে মলিন হলেও এখনো মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে সদর্পে। বাড়ির চারপাশ পুরনো আমলের ইটের দেয়ালে ঘেরা। তারই বিশাল বারান্দায় আসন পেতে বসে এই বাড়ির সর্বময় কর্ত্রী
বেশ দায়িত্ববান ছেলে শুভ। স্যারের সাথে তর্কে জড়িয়ে স্কুল যাওয়া বন্ধ করেছে বছর খানেক হলো তবু বাড়িতে কাওকে জানায়নি। দায়িত্ববান বলেই স্কুলের মাইনেটা অবশ্য বাবার কাছ থেকে ঠিকই নিয়ে গেছে।
আমি আমার রসকষহীন কাঠখোট্টা টাইপ স্বামীর প্রতি কয়েকদিন হলো হঠাৎ করে তীব্র ভালোবাসা অনুভব করছি। আমার এই পরিবর্তন অবশ্য এমনিতে হয়নি। এর পেছনে অনেকটাই দায়ী সায়ান ভাই। ঘটনা হলো, সায়ান
বিশ্বাসঘাতকতা অপরিচিত মানুষ করে না। বিশ্বাসের ভীট’টা নষ্ট করে অতি-পরিচিত মুখগুলোই। যেদিন প্রথম আমার স্বামীকে রাত ২টার সময় বেলকনিতে দাঁড়িয়ে ফোনে কথা বলতে দেখেছিলাম। সেদিনই বিশ্বাসের খুঁটি’টা নড়েচড়ে উঠেছিলো। একটা