ধরে নিলাম আমাদের সংসারটা একটি কাব্যগ্রন্থ রান্নাঘরের প্রতিটি আসবাবপত্র একেকটি শব্দ হাত থেকে পড়ে যাওয়া চামচ কিংবা খন্তির শব্দ কবিতার ছন্দ মসলা মাখানো তরকারির ঘ্রাণ কবিতার অন্তর্নিহিত ভাব তোমার প্রিয়
আসাদ ভাই মানে কবি আসাদ চৌধুরী এখন কানাডায় থাকেন। স্থায়ীভাবেই কানাডায় চলে এসেছেন তিনি পুত্র-কন্যাদের সঙ্গে থাকবেন বলে। আমার নিবাস অটোয়ায়। পাশের শহর অশোয়াতেই পুত্রের সঙ্গে বসবাস আসাদ-শাহানা জুটির। মাঝে
গোধুলীর নীরবতা ভেঙে জেগেওঠা প্রেম যখন হারিয়ে যায় সূর্যাস্তের গভীরে তখন প্রেমের আগে ব্যবহৃত অবিনাশী, অমর, দূর্বার শব্দগুলো মুছে যায় হৃদয়ের ডায়েরি থেকে। তখন শূন্যস্থান পূর্ণ হয় ব্যথিত শব্দপুঞ্জের সুনিপূণ
সময়কাল ২০০৩। নতুন আসা কানাডায় আমার তখন টিকে থাকার অনিঃশ্বেষ সংগ্রাম। নদী স্কুলে পড়ে। শার্লি সংসার সামলায়। আর আমি কাজ করি। একজনের আয়ে সংসার চালানো কঠিন। আমাকে তাই দিনে দু’টো
দুজনের কেউই প্রপোজ করেনি।বলেনি, ভালোবাসি! তবুও দু’জনের একদিন দেখা না হলে, পাগলের মতো হয়ে যায়! এর নামই কি
ওই ভয়! শুনশান নীরবতা অন্তিম চোখ তুই বসে থাক দেখ উড়ে আয় জুড়ে আয় শালিখ ঠোঁট- লাল গোলাপ বিষন্ন দুপুরের ছায়া মার, কে কি কয় তোর বাপ বিলাপ ঝি
১. “বড় ভাবীর সাথে একই বিছানায় ঘনিষ্ট অবস্থায় আমার স্বামী। স্পষ্ট সব দেখেছি আমি। বিষয়টা যদি বিয়ের পরের দিন সকালেই ঘটে থাকে আমার সাথে, তাহলে? এরপরেও আপনারা আমাকে চুপ থাকতে
হঠাৎ সেদিন বৃষ্টি জলে নিত্য করে হলুদ মেয়ে অসংখ্য সবুজ পাতার ফাঁকে মিষ্টি হাসি মুখে, সে যেন সেজে রয়েছে সাদাপারা হলুদ বর্ণ শাড়িতে, এলোমেলো চুলে কাজল মাখা দু’চোখে। কী অপরূপ
#অন্তরালে পর্ব (১) বিবর্ণ,মলিন সুরম্য প্রাসাদসম বাড়িটির মুল ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে আছে অচেনা এক তরুণী। কালের বিবর্তনে দেয়াল খসে পড়া, ঝাড় জঙ্গলে আবৃত এ বাড়ির আশেপাশে ভুত প্রেতও হেঁটে যেতে
এই যে কত মিষ্টি ভাষায় বলে দিলে চার বছর সংসার করার পরেও ছেড়ে যাবে? প্রতিউত্তরে কিছুই বলতে পারি নি কেনই বা বলব বল? বলার কোন প্রয়োজন পড়ে নি! কি’বা বলার