সারাবিশ্ব তখন মহামারী করোনায় জর্জরিত। প্রতিনিয়ত অসংখ্য মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়ছে। টিভি অন করলেই শত শত লাশের দেখা মিলছে। চারিদিকে শুধু হাহাকার। মরনব্যাধি করোনার থেকে অসহায়
সায়েন্স বাংলা বলে,পৃথিবী ঘূর্ণায়নের কারনে দিন ও রাত সংঘঠিত হয়।পৃথিবী তার নিজে কক্ষ পথে একবার ঘুরে আসতে তার সময় লাগে ৩৬৫ দিন। আর এ সময় কাল কে গণনায় ধরা হয়েছে
চোঁয়াল শক্ত করে মুখ নামিয়ে বসে থাকে রনক ওর পড়ার টেবিলে। না, মুখ তুলবে না সে। কিছুতেই না। এই মহিলা দিব্যি তার মার আসনে গেড়ে বসেছে। এতদিন ধরে তিলে তিলে
রান্নাঘরে মসলা ব্লেন্ড করতে করতে শাশুড়ী মায়ের ডাক এলো- “নিসা, এদিকে শুনে যাও।” আগামীকাল কুরবানির ইদ। ভীষণ ব্যস্ততা। আমি হাত ধুয়ে দৌড়ে শাশুড়ী মায়ের ঘরে গেলাম। দেখি হাতে একটা শাড়ি
অনেকদিন দেখিনা মা কে মনে হয় এইতো সেদিন মাস ,বছর , যুগ পেরীয়ে মনের খাঁচার যন্ত্রনাকে যেমনি পাখি পুষে রাখে চোখের তারায় আকাশ থাকে সেথায় এসে মা যে ডাকে ভালবাসার
আমি হারিয়েছি যারে অনন্তকাল খুঁজেছি তারে। বাঁশবনে কাশবনে শিশির ভেজা দুর্বা ঘাসে, মেঘমালা তাঁরা রবি শশী চন্দ্রকলায় তিমির রাতের জোনাকি,ঝি ঝির সুরে। আর কতো জনম ফিরবো বহুরূপে বকের পাখনায় শালিকের
লকডাউনে বন্দি আমি ঘরের কোণে উথাল-পাতাল স্বপ্ন ঘোরে মনের বনে। দেখছি না তো ফুটছে কেমন কৃষ্ণচূড়া দূর আকাশে উড়ছে পাখি মোহনচূড়া। জানছি নাতো মাধবকুন্ডের জলপ্রপাত কেমন করে দেয় ভিজিয়ে পরীর
আজ আমি এক অন্য আমি ফিরিয়ে দাও আমার নিঃস্বার্থ আস্থা বিশ্বাস আমার গতকাল। ফিরিয়ে দাও আমার শ্রাবণ বিকেল হারানো স্মৃতির নীল জ্যোৎস্না। তোমার শহরের অলিতে গলিতে ছড়ানো ছিটানো আমার নিঃশব্দ
আজ খুব বৃষ্টি পড়ছে সেই সকাল থেকে, সকাল ছ’টায় একবার ঘুম ভেঙেছিল অঞ্জলির। কারণ মা কখন এসে গায়ে চাদরটা দিয়ে গেছে, ঠাণ্ডায় কুঁকড়ে ছিল বলে হয়তো বুঝতে পারেনি। আজ কতদিন
তারিখ -১২/০৭/২১ (সিলেটের আঞ্চলিক ভাষায় লিখা) খরাপ মানুষ হারাদিন অউ থাকে, পরর দোষ তুকাইয়া। মিছারে হাছা বানাইত চায়, ঘুরে গাউ পাকাইয়া। অনর কথা হনো না কইলে, অয় না মন তার