—-২২/০৫/২০২১ইং যে ভাঙে গো আমার ঘর আমি গড়ি তাকে বসন্তের ‘পর। সুখে যেন থাকে দিবানিশি আমিই হ’বো তার সুখ প্রত্যাশী। চলে যায় যাক দূর দূরান্তর অনুভবে পাড়ি দিবো তেপান্তর। কষ্ট
কোন নদীঘেঁষা কোন পাখিডাকা কোন তরুঘেরা গেহে.. জন্ম নিলো সে পুতুল-বালিকা সোনালি আবেশ দেহে!.. নাম রাখা হলো ‘রাতের সূর্য’, ডাকনাম হলো স্মৃতি নানু ডাকে তাকে পরীবানু বলে রূপের এমনই রীতি!
পাশের ফ্ল্যাটের চিৎকার-চেঁচামেচি ক্রমশ বেড়েই চলেছে। যত দিন যাচ্ছে ততই বাড়ছে, আচ্ছা এরা কি আমাকে শান্তিতে থাকতে দেবেনা। যখনই একটা ছবি মনোযোগ দিয়ে আঁকতে যাই, শুরু হয়ে যায় এদের চেঁচামেচি।
একদিন যার সাথে দুষ্টুমি না করলে পুরো দিনটাই খারাপ যেতো, একদিন যাকে না দেখলে একনজর নিজেকে অন্ধ মনে হতো। একদিন যাকে নিয়ে না ভাবলে মনে কম্পন আসতো, একদিন যার ফোন
একটা ছবির দিকে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থেকে যিশু বললো, “এই ছবির মেয়েগুলো কারা?” “দেখি.. ও। এরা আটকে ছিল তিন মাস পাকিস্তানি আর্মিদের একটা ক্যাম্পে। আমি তখন মিরপুরের ওদিকটায় আরও কিছু ছবি
বর্ষার রাত হঠাৎ ঝড় বৃষ্টি বাদলা মাঝে অনামিকা চোখের ইশারায় নূরকে বলল,ছাদের উপর উঠার জন্য তারা উভয়ই দু’ছাদে ওঠে এল,প্রায় মধ্যরাত দূর থেকে দু’জনই অন্তরের সৌরভ উপভোগে মত্ত।মনে হয়
(তারিখ-২৪.০৭.২০২১খ্রী:) জরিনার মা- একটু নুন জল বাড়িয়ে দিও সাথে কাঁচা লঙ্কার ঝোল আষাঢ় মাসের নতুন বানের আনবো ধরে রুই কাতলা আর শোল। দু মূঠো জলভাত দু জনে খেয়ে চেটে
আমি শেলী, নোয়াখালী আমার জন্মস্থান হলেও বেড়ে ওঠা ঢাকায়। পড়াশোনায় খুব একটা ভালো ছিলাম না, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স মাস্টার্স করেছি। আব্বা ব্যবসায়ী ছিলেন। বায়তুল মোকাররম মসজিদের সামনে আব্বার আতর,তসবি আর
মাঝরাতে ঘুমের মধ্যে কারো ভারী নিঃশ্বাস মুখে পড়ায় ঘুমটা ভেঙে গেলো। অন্ধকার ঘরে কাউকে দেখা যাচ্ছে না কিন্তু আমি অনুভব করতে পারছি আমার বিছানার পাশে কেউ দাঁড়িয়ে আছে আর তারই
হ্যালো তরু কেমন আছিস? আমার আর ভালো থাকা। যার দুই দুইটা বিচ্ছু সন্তান আছে । কি যে যন্ত্রনা করে। তারপর আবার বাজার ঘাট সব আমারই করতে হয়। বর তো সংসারের