মানুষ আজ ধর্ম খায়, ধর্ম মাখে ধর্মের স্নান,ধর্ম পরে ধর্মের ষাঁড় মাঠে ছাড়ে ধর্ম দিয়েই বিচার করে। ধর্ম ভাঙে, ধর্ম গড়ে ধর্ম বেচে, ধর্ম কেনে ধর্মের তাস বাতাসে ওড়ে ধর্মের
একদিন দেখেছি… সবুজ পাতার ফাঁকে ধূসর জীবন ! একদিন শুনেছি… নরম ঘাসের বুকে লাল নীল পাখি, দৈবাৎ মৃত্যুকে করছে বরণ ! একদিন নিয়েছি… ক্ষয়ে যাওয়া সকালের স্বাদ, অনন্য জীবনে দেখেছি
অক্টোবরের তিন তারিখটি আমার জীবনের মোড় পালটে দেয়া একটি বিশেষ দিন। এই দিনে শার্লির কোল আলো করে নদী এসেছিলো পৃথিবীতে। এবং এই দিনে নদী জন্মেছিলো বলেই আমিও বাবা হিশেবে আত্মপ্রকাশ
করোনার ক্যারিশমা সত্যি সত্যি দেখার মতো। দেবী দুর্গারও বুক বাপের বাড়িতে এসে দুরুদুরু।অথচ বাপের বাড়ির লোভ জয় করা দুরুহ। মা দুর্গা ও বোধহয় অতটা জিতেন্দ্রিয় নন। বছরান্তে একবারো বাপের বাড়ি
সে এবং রোদ একসাথে হাসে সে এবং জোছনা এক ঠোঁটে কথা কয় মূলত ডিসেম্বর ডাকছে জীবনের শেষ দিন হতে পালাতে পারে নি কোন পাখি পতঙ্গ কিংবা মাছরাঙা মানুষ; তবু এক
যখনি যাই দাড়িয়ে সবকিছু যাই মাড়িয়ে চোখে ভাসে আকাশ ছোয়া স্মৃতিসৌধ, যারা ছিল দামাল ছেলে সূর্যসন্তান বীর সেনানী স্বাধীনতা শুধুমাত্র জীবনবোধ। যাদের রক্তে ভিজে গেছে ধুলামাখা সবুজ মাঠ স্বপ্নসৌধ র্নিমাণেতে
বুড়ো এখন কাঁদছে বসে ফুলের বনে একা, বউয়ের মাঝে পাচ্ছে না আর সেই মেয়েটির দেখা! প্রথম প্রথম মনে হতো বউটি পরীর রাণী, মধুর সুধায় থাকতো ভরে আকুল হৃদয়খানি। সেই রাণী
ভুলেছি তোমায় আমি ভুলেছি সেই সে ফাগুন মুছেছি শিমুল সিঁদুর ভুলেছি তোমার মনের লাল, নীল, কালচে আগুন। ভুলেছি শ্রাবণ আমি মুছেছি চোখের জল ভুলেছি বৃষ্টির ছোঁয়া দেখি না ডানা মেলা
বিবেক দিন দিন পৃথিবী থেকে লোপ পাচ্ছে। অনেক মানুষ মরিয়া হয়ে দিনরাত টাকার পেছনে ছুটে বেড়াচ্ছে। ভুলে যাচ্ছে স্বজনকে।পৃথিবীতে স্বার্থপরতা এতো বেড়ে গেছে এর ফলে মায়ার বাঁধন হারিয়ে গেছে। মানুষ
খুব সকালে চায়ের কাপে মন বসেনা, মন খারাপ……. আকাশ’টা আজ কাঁদছে ভীষণ, কোন মানে নেই…… যত্তসব……. কেনো কাঁদছে !? কারন’টা ঠিক নেই জানা….. ভাবনাদেরও বাড় বেড়েছে, বলছে….. এমন দিনে ভাবতে