কোনোদিন কেউ হেরে যায় আর কোনোদিন যায় জিতে, একদিন আমি হেরে যাই খুব শুয়ে থাকি অগ্নিতে। কোনোদিন কেউ কুম্ভকর্ণ কোনোদিন কেউ জেগে, একদিন আমি বিনিদ্র থাকি অতৃপ্ত উদ্বেগে। কোনোদিন কেউ
আবিদের মন অনেক খারাপ। সুমির এবারো মিসক্যারিজ হয়ে গেলো। এই পর্যন্ত এটা ১১তম মিসক্যারিজ। ডাক্তারও বুঝতে পারছেনা কেন সুমির মিসক্যারিজ হচ্ছে এতোবার। সবই ঠিকঠাক তবু ৩য় মাসেই হঠাৎ করে
আমি বিভিন্ন সাহিত্য প্রোগ্রামগুলোতে যাই মনের টানে। প্রায় প্রতিটা সংগঠন থেকেই আমি দাওয়াত পাই। ইচ্ছে থাকলেও প্রায়ই পারিপার্শ্বিকতার জন্য যাওয়া হয়ে উঠেনা। সাধারণত আমরা প্রোগ্রামগুলোতে যাই সাহিত্যকে ভালবেসে। তার উপর
আমার আপার নাম চারু। আদনান ভাই ডাকতেন চারুলতা বলে। আদনান ভাই যখন আপাকে আর আমাকে পড়ানো শুরু করেন আপা তখন ১৬ বছরের কিশোরী। সদ্য নবম শ্রেণীতে উঠেছেন। আর আমি তখন
না আমি কাউকে মা ডাকতে পারি আর না আমার সন্তানরা আমাকে মা ডাকতে পারে… এটাই ভাগ্যের লীলাখেলা, খুবই অদ্ভুত
প্রথম পাঠের বর্ণগুলো হানা দিচ্ছে অ- তে অজগর কানের কাছে ফোঁস-ফোঁস করে আর ঈ- এর ঈগল এসে ছোঁ মেরে নিয়ে যায় ঋ-বর্ণটি সবাইকে ঋষি বানাতে ব্যস্ত কিন্তু ক-সমস্ত শক্তি দিয়ে
অনিবার্য বিপর্যয় দুর্ভোগ দুর্দশা তাদের নিন্দা কুৎসা অপমানে যারা অপদস্তকারী ব্যঙ্গ বিদ্রুপ পরচর্চায় যারা কলঙ্ক কারবারি বীজ বপনকারী বিচ্ছেদ বিবাদ বিভেদের। ব্যাংক বিমা সিন্দুক সিন্ডিকেটে যে কুক্ষিগত রাখে সম্পদ জমিজমা
জমে থাকা কষ্টগুলো এক সময় বোবা হয়ে মরার মতো বেঁচে থাকে, বেঁচে থাকে অনেক গুলো মৃত স্বপ্ন, এভাবে জীবন চলে না চলা পথকে অনুসরণ করে, কষ্টগুলো একদিন বেরিয়ে পড়ে অজানার
কিছু অভিমান, কিছু কষ্ট, কিছু অবহেলা, কিছু না পাওয়া এক ভয়ানক নির্জনতা… বুকের গহিনে আবদ্ধ পাষাণ অরণ্য। কিন্তু এখনো খুঁজি হারিয়ে যাওয়া ফাগুনের সেই আগুন… যেখানে তুমি প্রেমিক ছিলে সূর্যের
আজ বুধবার বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮৫ বছর। তিনি সর্বশেষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে