শরতের সকালবেলা, ঘড়ির কাঁটা জানান দিচ্ছে আটটা বাজে পনেরো মিনিট। ঘণ্টা দুই ধরে ঢাকা শহরে উদ্দেশ্যহীন হাঁটছে জসীম। কেন হাঁটছে সে জানেনা তবুও হাঁটছে। সূর্যটা খুব সুক্ষ্মভাবে তার কিরণ ছড়াতে
মামাতো বোনের হবু বরের জায়গায় নিজের ভালোবাসার মানুষটাকে দেখে থমকে যায় সাশা।সে এখনো বিশ্বাস করতে পারছেনা তার দেখা সত্যি।তার এখনো মনে হচ্ছে সে কোন দুঃস্বপ্ন দেখছে যেটা ঘুম থেকে উঠলেই
তুমি পাগল তুমি নেশাখোর তুমি অস্থির তুমি দাম্ভিক তুমি অভদ্র তুমি উগ্র তুমি ভাঙ্গার কারিগর তুমি উশৃঙ্খল তুমি এমন কেন? কেন এমন উন্মাদ তুমি? হা-হা-হা তুমিও! তুমিও তাদের দলে! তাদের
একলা চলা জীবন আমার চলতেই হবে একা দুঃখ সুখের সাথী হয়ে কেউই হবেনা সখা। মিথ্যে স্বপ্ন মিথ্যে আশায় গোলক ধাঁধায় পড়ে আর কত হোঁচট খাবো এই অবেলায় এসে। আপন আপন
আমি প্রতি রাতেই নির্ঘুমে কাটাই মাঝে মধ্যেই শব্দ খুঁজে বেড়াই.. শব্দের পাশে আর এক শব্দ বসাই ছন্দ মেলাই পংক্তি সাজাই। শব্দ খুঁজি তারার দেশে আকাশ যেথায় সমুদ্রে মেশে, রাস্তাঘাটে আশেপাশে
কি মায়ায় আঁকড়ে পড়ে আছি পৃথিবী! পৃথিবীর মানুষ। দুইহাতে ঝলসে ওঠে পোড়া মাটির রঙ, হাতের তালুতে লুকানো তোমার প্রেম, আমার ভালবাসা, স্বপ্নের ভ্রুণ-কুঁড়ি সময়ের শৃংখল। কত যুগ যুগ মেঘের আলাপন,
সুরাইয়া খানম তাঁর বাসার কাছের ছোট পার্ক’টিতে গত সাতদিন থেকে বিকেল বেলা হাঁটতে আসে। তাঁর বয়স উনষাট বছর। তার বয়সী মানুষেরা সাধারণত একা-একা হাঁটতে আসে না, তাঁরা আসে সাধারণত দুই
জন্মঃ ৫ আগষ্ট, ১৯৪৪ ইং (সিরাজগঞ্জ) জন্ম ও পারিবারিক পরিচিতিঃ মহাদেব সাহা ১৯৪৪ সালের ৫ আগস্ট সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া গ্রামে পৈতৃক বাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম গদাধর
২০০৫ সালের ৫ আগষ্ট ২জন কপোত কপোতি করেছিল যাত্রা এক অজানা গন্তব্যে এক ডিঙ্গি নায়, এই নায়ের যাত্রী ছিল তারা ২জন। আরো সহযাত্রীর তারা করেছিল আশা, খোদা তাদের সেই
দিন,মাস,বছর প্রদক্ষিণ হয়ে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হয়।ঋতু তার মেয়ের ছবি নিয়ে হিমু বাসস্থান রাজশাহীতে বেড়ানোর জন্য আসেন।দু’বন্ধুর দীর্ঘ বিচ্ছেদেই হঠাৎ দর্শনীয় তাদের অন্তরতম মিলন মধুর হয়ে উঠে।ঋতু মনুকে আদর