চলছে এ এক আজব খেলা চারদিকে শুধুই মুখোশের মেলা , মানুষ খুঁজতে খুঁজতেই চলে যায় বেলা ৷ ব্যানার,ফেস্টুন,মানববন্ধনে দেখি কতশত স্লোগান ঝরে পড়ে , আপন গৃহে তারাই দেখি নির্যাতনও করে
আজকে দোকান খানা একটু দেরি করেই বন্ধ করেছে মানিক মিয়া। হাতে থাকা টর্চ লাইট জালিয়ে বাড়ির উদ্দেশ্য রওনা হতে নিলে?পেছন থেকে কালাম ডেকে ওঠে। ,কি বেপারী, বাড়ি যাও নাকি? ,হ
মঈনুর আহম্মদ এর গল্প সমগ্র কবি ও গল্পকার – মঈনুর আহম্মদ এর প্রথম গল্প সমগ্র। বইটি প্রকাশ করেছে ইক্বরা প্রকাশন ১২/ডি,১৯/৩৪,পল্লবী,মিরপুর,ঢাকা-১২১৬। মুঠোফোন নং-০১৯৭৯৪৩৮২৫৩ এই বইতে যে গল্পগুলো পাবেন তাহলো
[ এই রচনার সহিত কোনো ব্যক্তি বিশেষের মিল ঘটিলে তাহা কাকতালীয় বলিয়া গণ্য হইবে। কেহ এই রচনায় নিজেকে প্রত্যক্ষ্য করিলে লেখক দায়ী নহেন। অনভিপ্রেতভাবে এই রচনায় কেহ নিজেকে আবিস্কার করিলে
তোমার ঐ শ্রাবণ সন্ধা টুকু দিও আমায়, আমি বৃষ্টি হয়ে তোমার বুকেই ঝড়তে চাই। তোমার ঐ মেঘের ভেলায় দিও আমায় একটু ঠাই, আমি আকাশ খামে তোমার নামে প্রেমের চিঠি পাঠাতে
তাহা হইলে কি এই কথাই প্রমাণিত সত্য ? ধাক্কা দিয়া ফেলিয়া দিলে দোষ নাহি হইবে, ধাক্কা লাগিয়া পড়িয়া গেলে জেল-হাজত হইয়া যাইবে। নহে এই প্রহর কোন কাব্যের, নহে ছন্দময় কল্পকথার
সেতারা মনুর দিকে কাম্যমনে চেয়ে রইলো আর মনে মনে ভাবে এই সুন্দর যুবককে মোছলেমা গ্রহন করে না এই স্পর্ধা দেখে অবাক লাগে।তার রুপ ও গুনের জন্য যে কোন নারী
সারাহ: রোশান স্যার, আমি কি একটা প্রশ্ন করতে পারি..? রোশান স্যার: করো সারাহ : একটা আস্ত হাতিকে কিভাবে ফ্রিজে রাখবেন ..? রোশান স্যার: জানি না! সারাহ : খুব সহজ, আগে
তার জন্যই আমি ছাদে উঠতাম। গাছে পানি দেবার নাম করে বসে থাকতাম। কিন্তু সে ছিলো নির্বিকার।চোখাচোখি হলেও চোখ নামিয়ে নিত। আমি তাকিয়ে থাকতাম বেহায়ার মত। বুঝতে চাইতাম তার ব্যাথা।কেন সে
ভয়ংকর এক বৈশাখি ঝড় বৃষ্টির রাতে শফিক সাহেব আর নাজনীন আরা বাবা-মা হন। আবহাওয়ার কারনে তাদের হাসপাতালে আসতে বেশ দেরি হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তারপরও আল্লাহর অশেষ রহমতে ডাক্তার শেষ পর্যন্ত