পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে নিজেকে অভ্যস্ত করে নেয়া খুব কষ্টের হলেও মানিয়ে নিতে পারলে নিজেকে সুখিই মনে হয়… সাধারণত আমরা সবসময় অন্যের উপর দোষ দিয়ে নিজের দূর্বলতাগুলো ঢেকে রাখার কুটিল চেষ্টায় লিপ্ত
২২.১১.২০২৩ ইং আমার দেশের সোনার ছেলেরা হয়েছে সব ডিজিটাল। সবার হাতেই মোবাইল ফোন তথ্য প্রযুক্তির কল্যাণে। দূরের খবর আদান প্রদানে তুলনা যে নাই। জয় করেছে সবার মন ফেসবুক আর মেসেঞ্জারে।
আমার আমিকে হারিয়ে ফেলেছি, বহু বহু বছর আগে, সেই আমিকে নতুন করে আজ ফিরে পেতে সাধ জাগে। আমি হারিয়েছি শিশির ভেজা শিউলি গাছের তলে, আমি হারিয়েছি শাপলা ফোটা পানা পুকুরের
তুমি চেয়ে দেখো কতো মানুষের আহার নেই নিদ্রার নেই ঠাঁই, আর কেউ বিলাসী আয়োজনে অহেতুক করছে অপচয়, লাখ লাখ টাকা বিনাশ করছে কয়েক ঘন্টায় মূল্যহীন বৃথাকাজে। যাবতীয় অনুষ্ঠান খরচ করলে
তোমার টানা টানা দুটি আঁখি যেন জীবন্ত জোড়া শালিক পাখি যেই দেখবে প্রেমে পড়ে দিবে হাত তালি তুমি যে কাব্য জগতের হীরক মালী। বড্ড বেহায়া লোক লজ্জার নেই ভয় বারণ
আমি সত্যিই খুব ভাগ্যবান, আমার জীবনের শুরুটা গ্রাম থেকে। গ্রামীণ মানুষের জীবন-যাপন খুব কাছ থেকে দেখেছি আমি। ছেলেবেলার যে দশটা বছর গ্রামে কেঁটেছে, যে আনন্দ আমি পেয়েছি; কিন্তু আজ মনে
আমি হাতে টানা রিকশার পর্দার ঘেরাটোপে দুষ্টু প্রজাপতি আমি যে তোমায় ভালোবাসি আমি দূর আকাশে ভোঁকাট্টা চাঁদিয়াল ঘুড়ি লটপটর করতে করতে তোমার মনে এসে পড়ি আমি পাথর কুচির পাতায় তোমার
মধ্য রাতে শোনা গেলো- জনতার শোর ! “গেলো গেলো পালিয়ে গেলো চোর! চোর! চোর! চোর পালালো চুরি করে- সৎ ও ধার্মিক মানুষের সম্মান ! সাথে নিলো বিবেক-বুদ্ধি ভালোবাসার টান! মানুষের
কবি সংসদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত বিজয়ের কবিতা উৎসব। কবি সংসদ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা কবি ও ছাড়াকার তৌহিদুল ইসলাম কনক উপস্থাপনা ও পরিচালনা করেন।কবি সংসদ বাংলাদেশের নির্বাহী সভাপতি কাপ্তান নূর মুক্তিযুদ্ধের
আমার লেখা প্রথম বই ‘একজন শিক্ষকের আত্মজীবনী’ ২০১৯ সালে একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়। অনেকেই পড়েছেন আবার ফেইজবুকে নতুন নতুন পাঠক তৈরী হওয়ায় অনেকেই পড়তে পারেননি। সে কারণে পুনরায় শেয়ার করার