গেলো ২৫ জুনে লেখা এই ছড়াটাও ফেসবুকে দেয়া হয়নি। গদ্য রচনার ফাইলে একদম নিচে পড়ে থাকা আমার অবহেলিত ছড়াসমূহের মধ্যে ইনিও একজন! সাম্প্রতিক প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনায় ছড়াটা পড়া যেতেই পারে। আজকের
– কেয়া, বলছিলাম কি আমি আর তোর আব্বা তো ঈদের পরেই আমেরিকা চলে যাবো। তাই এবারের ঈদটা যদি তুই আমাদের সাথে করতি। বিয়ের পরে কোন ঈদ তো করলিনা আমাদের
“আমি শুনেছি সেদিন তুমি সাগরের ঢেউয়ে চেপে নীল জল দিগন্ত ছুঁয়ে এসেছো”। মৌসুমী ভৌমিকের এই গানটি খুবই চমৎকার লাগে। শুধু আমার নয় অনেকেই এ গানটাকে খুব পছন্দ করেন। সাগরের ঢেউয়ে
আমি হারিয়েছি ২০২৩ এ আমার খুব কাছের এক প্রিয় মানুষকে। যাকে কখনো আর ফিরে পাবো না, হাজার কান্নাকাটি করলেও আর ফিরে পাবো না। আল্লাহর কাছে বারবার মিনতি করে চাইলেও
মুরগিতে দুধ দেয়, ডিম পাড়ে গরু , ইয়া বড় হাতিটাও লিকলিকে সরু । শেয়ালের মাথা মোটা, পন্ডিত গাঁধা । হরিনের খোয়ারেতে, বাঘ থাকে বাঁধা। পুঁটিদের উৎপাতে , বোয়ালেরা ভীতু ।
ছড়া আমার প্রেমের ছোঁয়া ছড়া ভালোবাসা ছড়া লিখে মিটে আমার মনের সকল আশা । ছড়া আমার হাজার স্বপ্ন ছড়া পথের আলো ছড়ায় গড়ি সুখের পাহাড় ছড়া লাগে ভালো । ছড়া আমার
পদ্মা সেতু পদ্মা সেতু তুমি বাংলাদেশের অহংকার, তুমি বিশ্বের বিস্ময় এমনই স্থাপনা হয় না তুলনা তার, তুমি দেখালে সোনালি স্বপ্ন জাতির মনে নতুন আশা প্রাণে প্রাণে আজ ছড়িয়ে দিলে অকৃত্রিম
আমি তো ছিলাম না কিছুই না-পতঙ্গ, না-মাকর না-বিহঙ্গ, না-কাঁকড় তবু ভুল দোষে এই পথে এসে পেয়েছি অচেনা দ্বীপ হয়ে গেছি সরীসৃপ পরিপূর্ণ চাকর! ২৪.১০.২৩/ আশালতা,
#পর্ব_১ “তোর মধ্যে কি কখনোই ম্যাচুরিটি আসবে না সেতু।” সেতুর মা প্রচন্ড বিরক্ত হয়ে কথাগুলো বললেন সেতুকে। সেতু মায়ের কথা শুনেও না শোনার ভান
দীর্ঘদিন লিখালিখি না করায়, মস্তিষ্কে জং ধরে গেছে, গল্প লেখার চেষ্টা করলেও পারছি না, তাই ভাবলাম পেইজে ঘুরে একটু অনুপ্রেরণা নিয়ে আসি। পেইজে ঢুকার পর, কি মনে করে যেন ম্যাসেজ