তুমি চেয়ে দেখো কতো মানুষের আহার নেই নিদ্রার নেই ঠাঁই, আর কেউ বিলাসী আয়োজনে অহেতুক করছে অপচয়, লাখ লাখ টাকা বিনাশ করছে কয়েক ঘন্টায় মূল্যহীন বৃথাকাজে। যাবতীয় অনুষ্ঠান খরচ করলে
তোমার টানা টানা দুটি আঁখি যেন জীবন্ত জোড়া শালিক পাখি যেই দেখবে প্রেমে পড়ে দিবে হাত তালি তুমি যে কাব্য জগতের হীরক মালী। বড্ড বেহায়া লোক লজ্জার নেই ভয় বারণ
আমি সত্যিই খুব ভাগ্যবান, আমার জীবনের শুরুটা গ্রাম থেকে। গ্রামীণ মানুষের জীবন-যাপন খুব কাছ থেকে দেখেছি আমি। ছেলেবেলার যে দশটা বছর গ্রামে কেঁটেছে, যে আনন্দ আমি পেয়েছি; কিন্তু আজ মনে
আমি হাতে টানা রিকশার পর্দার ঘেরাটোপে দুষ্টু প্রজাপতি আমি যে তোমায় ভালোবাসি আমি দূর আকাশে ভোঁকাট্টা চাঁদিয়াল ঘুড়ি লটপটর করতে করতে তোমার মনে এসে পড়ি আমি পাথর কুচির পাতায় তোমার
মধ্য রাতে শোনা গেলো- জনতার শোর ! “গেলো গেলো পালিয়ে গেলো চোর! চোর! চোর! চোর পালালো চুরি করে- সৎ ও ধার্মিক মানুষের সম্মান ! সাথে নিলো বিবেক-বুদ্ধি ভালোবাসার টান! মানুষের
কবি সংসদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত বিজয়ের কবিতা উৎসব। কবি সংসদ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা কবি ও ছাড়াকার তৌহিদুল ইসলাম কনক উপস্থাপনা ও পরিচালনা করেন।কবি সংসদ বাংলাদেশের নির্বাহী সভাপতি কাপ্তান নূর মুক্তিযুদ্ধের
আমার লেখা প্রথম বই ‘একজন শিক্ষকের আত্মজীবনী’ ২০১৯ সালে একুশে বইমেলায় প্রকাশিত হয়। অনেকেই পড়েছেন আবার ফেইজবুকে নতুন নতুন পাঠক তৈরী হওয়ায় অনেকেই পড়তে পারেননি। সে কারণে পুনরায় শেয়ার করার
সাদিক কলিংবেল চাপছে ও পাশ থেকে নারীকন্ঠে কে?আমি সাদিক,খালামনি আছে।খালামনি কে।মেয়েটি দৌড়ে গিয়ে মাকে বলল কে যেন খালামনি বলে ডাকছে।মা শুনেই কে সাদিক,হ্যা সাদিকই তো বলল শুনেই মা দৌড়,দৌড়ে
এ শহরের কিছুই আমার না। দিনের কোলাহল, ধূলিমাখা রাজপথ, অযাচিত বেসুরো হর্ণ, মিছিল-মিটিং, টং দোকানে ধোঁয়া উঠা চায়ের কাপ- কিছুই আমার না। প্রেমিকের ছোটখাটো ভুল, প্রেমিকার গাল বেয়ে নেমে
উল্টো পথে হাঁটতে হাঁটতে এসেছি চলে যুবতি বাতাসে দোল খাওয়া অতীতে। রহিম-রূপবানের মতো অসম প্রেমের মোহনায় বয়সের পার্থক্যে কি-বা আসে যায় বুকে তৃষ্ণার ঘেউঘেউ, উথাল-পাথাল ঢেউ কত গভীরে শেকড়, জানে