1. banglamailnews72@gmail.com : banglamailnews : Zakir Khan
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
২০০৫ সালের ৫ আগষ্ট – – – – – জাকির খান চার দশকেরও অধিক ইমামতির জীবনের আনুষ্ঠানিক বিদায়-এক আবেগঘন স্মরণীয় দিন! ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জারে লাইভ কবিতার আড্ডা হবে ————————————– এক মুঠো কদমের গল্প _ _ _ এঞ্জেল নীপা _ ______________ আমার আব্বা মোঃ আলমগীর খান – না ফেরার দেশে চলে গিয়েছিল – – –৩টি বছর অতিক্রম করলো আল্লাহ্‌,আল্লাহ্‌,আল্লাহ্‌ – – – জাকির খান মিরপুর ২ এ জাতীয় গৃহায়নের নিষ্কন্টক ৭৬ কাঠা জমিতে, শেয়ারে নির্মিত হতে যাচ্ছে সুপার কন্ডোমিনিয়াম ” দা ফ্যালকন হাইটস” নীলকলম সাহিত্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ,নীলকলম সভাপতি বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক মাহবুবা চৌধুরীর নেতৃত্বে আমরা আজ এক ঝাঁক সাহিত্য প্রেমী গিয়েছিলাম মানবিক কাজে ,বেওয়ারিশ মানবসেবা বৃদ্ধাশ্রমে – – – – শিরিন আফরোজ মাত্র ৮,০০০ টাকা মাসিক কিস্তিতে শুরু হোক আপনার স্বপ্নের বাড়ির যাত্রা কৃষিবিদ সিটিতে ———– শিক্ষা কোনো দল, মত বা আদর্শের বিষয় নয়; বরং এটি একটি সার্বজনীন সামাজিক দায়িত্ব – – – লামিয়া ইসলাম

বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুর সময় শেখ হাসিনা ছিলেন বেলজিয়ামের একটি এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশন অফিসার শেখ হাসিনার পাসপোর্ট দেখে ভ্রূ কুচকে বললো, তুমি কী বাংলাদেশী ?

  • আপডেট টাইম : রবিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২১
  • ৪৯২ বার
পিতার মৃত্যু শোকে কাতর কন্যা অনেক কষ্টে হ্যা সুচক মাথা নাড়লে ওই অফিসারটি বললো , “তোমরা কেমন অকৃতজ্ঞ জাতি? যে মুজিব নিজের জীবন কে তুচ্ছ করে তোমাদের স্বাধীনতা এনে দিলো সেই তাকেই কিনা তোমরা এমন নির্মম ভাবে হত্যা করে ইতিহাসে এমন নজীরের জন্ম দিলে’ ?
শেখ হাসিনা আর পারলেননা নিজেকে ধরে রাখতে, শোক কে পারলেননা দমিয়ে রাখতে, আকাশ বাতাস কে কাঁদিয়ে চিৎকার করে মাতম শুরু করলেন, সেদিন তাকে শান্তনা দেওয়ারো ছিলনা পাশে কেউ।
এক অসহায়, সহায় সম্বলহীন নারীর আর্তনাদের নীরব সাক্ষী হয়ে রইলো বেলজিয়ামের সেই এয়ারপোর্ট।
যাযাবরের জীবন হয়ে গেলো বঙ্গবন্ধু কন্যার , এই দেশ থেকে সেই দেশ , এক জায়গা থেকে আরেক জায়গা পালাতে পালাতে অবশেষে ঠাই হোলো কলকাতার এক টিনের কুঠিরে। যিনি দেশকে স্বাধীনতা এনে দিলেন, পতাকা দিলেন, জাতীয় সংগীত দিলেন, ভাষা দিলেন, আইন দিলেন,জাতীয়তা দিলেন সেই তিনি অযত্নে অবহেলায় শুয়ে রইলেন গোপালগঞ্জের এক নিভৃত পল্লীতে!
আর তার কন্যা অনাদরে অপমানে নির্বাসিত হয়ে রইলেন প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এক অন্ধকার কুটীরে !
তখনকার বাংলাদেশে ঠাই হলো গোলাম আজমের, পুনর্বাসন হলো একে একে সব রাজাকারের কিন্তু স্বদেশের মাটিতে অবাঞ্চিত হয়ে রইলেন বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা !
শত বাঁধা পেরিয়ে জীবনকে হাতের মুঠোয় নিয়ে বন্ধুর পথ পেরিয়ে সেদিনের অশ্রুসিক্ত পিতৃহারা কন্যাটিই আজকের বাংলাদেশের প্রধান মন্ত্রী লৌহ মানবী শেখ হাসিনা।
দেশের ইতিহাস কে তিনি আবার ফিরিয়ে আনলেন, দেশের মুখে তিনি আবার হাসি ফুটাতে শুরু করলেন, রাজাকারদের তিনি ফাঁসীর দড়ির দিকে টেনে টেনে নিয়ে যেতে থাকলেন , দেশে আবার ও জয় বাংলার সুবাস ছড়াতে লাগলেন।
এমন দিনে আমরা শুধুই তার সমালোচনা নয়, বন্ধু হিসেবে তার পাশে দাড়িয়েছি, কর্মী হিসেবে তার সংগে আছি এবং শুভানুদ্ধায়ী হিসেবে তারই সাথে চলছি।
যে বা যারা অতি বুদ্ধির জন্য পথ হারাচ্ছেন তাদেরকে আবারও সঠিক পথের যাত্রী হবার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।।
জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু,
জয়তু শেখ হাসিনা।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..