০৭/১১/২০২১ আমিও পারি, গড়তে বাড়ি সঙ্গে টাকার পাহাড় করতে পারি ইচ্ছে মতোই পোলাও কোর্মা আহার। কিন্তু এসব করি না কিছুই ভয় পাই যে পাপকে তার বিচার অতি বিচক্ষণ ছাড় দেয়
নবী (সঃ) এর স্মরণে আমার এই লেখা। ১৬/০৭/২০২১ বিধাতা মানুষের শ্রেষ্ঠতা ফিরাতে উত্তম অনুভূব আর ভালবাসায় সৃজিলেন তোমায়। বন্ধু তুমি তাঁর অগাধ ক্ষমতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত তোমাকে ঘিরে সারা জাহান মশগুল
অথচ জীবন ! সেই বা কতটা স্বর্গীয়? দুধের বাচ্চাও তো না খেয়ে মৃত্যু কষ্ট পায়, দরিদ্র বাবা ধুকে ধুকে বিনা চিকিৎসায় একটু একটু করে রোজ মরে যায়।। মানুষ মৃত্যুকে ভয়
শুভ জন্মদিন নাজনীন। তোমার জন্য আমার ভালোবাসার অর্ঘ্য। তুমি এমনই থেকো প্রিয়। তুমি সত্যের মহাগ্রন্থে তোমাকে রচো। তুমি বিশুদ্ধ বোধের বিশ্বাস ও সম্মানে বাঁচো। তুমি অসত্যকে হারিয়ে দিয়ে তোমার তুমিকে
মানুষ আজ ধর্ম খায়, ধর্ম মাখে ধর্মের স্নান,ধর্ম পরে ধর্মের ষাঁড় মাঠে ছাড়ে ধর্ম দিয়েই বিচার করে। ধর্ম ভাঙে, ধর্ম গড়ে ধর্ম বেচে, ধর্ম কেনে ধর্মের তাস বাতাসে ওড়ে ধর্মের
একদিন দেখেছি… সবুজ পাতার ফাঁকে ধূসর জীবন ! একদিন শুনেছি… নরম ঘাসের বুকে লাল নীল পাখি, দৈবাৎ মৃত্যুকে করছে বরণ ! একদিন নিয়েছি… ক্ষয়ে যাওয়া সকালের স্বাদ, অনন্য জীবনে দেখেছি
অক্টোবরের তিন তারিখটি আমার জীবনের মোড় পালটে দেয়া একটি বিশেষ দিন। এই দিনে শার্লির কোল আলো করে নদী এসেছিলো পৃথিবীতে। এবং এই দিনে নদী জন্মেছিলো বলেই আমিও বাবা হিশেবে আত্মপ্রকাশ
করোনার ক্যারিশমা সত্যি সত্যি দেখার মতো। দেবী দুর্গারও বুক বাপের বাড়িতে এসে দুরুদুরু।অথচ বাপের বাড়ির লোভ জয় করা দুরুহ। মা দুর্গা ও বোধহয় অতটা জিতেন্দ্রিয় নন। বছরান্তে একবারো বাপের বাড়ি
সে এবং রোদ একসাথে হাসে সে এবং জোছনা এক ঠোঁটে কথা কয় মূলত ডিসেম্বর ডাকছে জীবনের শেষ দিন হতে পালাতে পারে নি কোন পাখি পতঙ্গ কিংবা মাছরাঙা মানুষ; তবু এক
যখনি যাই দাড়িয়ে সবকিছু যাই মাড়িয়ে চোখে ভাসে আকাশ ছোয়া স্মৃতিসৌধ, যারা ছিল দামাল ছেলে সূর্যসন্তান বীর সেনানী স্বাধীনতা শুধুমাত্র জীবনবোধ। যাদের রক্তে ভিজে গেছে ধুলামাখা সবুজ মাঠ স্বপ্নসৌধ র্নিমাণেতে