ভূবন কাঁপানো আর্তনাদে আমার আত্মচিৎকার, বুকের দেয়াল ভাঙ্গিয়া বাহিরে আসেনি কভূ আর। কত প্রতিবাদের উচ্চ স্লোগান ভিতরে করে হাহাকার, জুলুমের এই বাতাসের্ ভয়ে খুলেনি মুখের দ্বার। আবার যদি
পারলি তুই প্রথম ভালোবাসাকে ঠকাতে!! পারলি আমাকে ভুলে যেতে? আমাকে এক নজর না দেখলে নাকি তোর ভালো লাগত না, আমার কোলে মাথা রেখে না ঘুমালে, তোর ঘুম আসত না। তোকে
কবিতার মোহনায় বিন্দু বিন্দু বুদবুদে ঢেউ ভাঙা শব্দেরা অনর্গল ছট পাকায় খেলা কবির মাথায় আমি না পারি কবিতা লিখতে যেটুকু বা লিখি তাও অখাদ্য উচ্ছিষ্ট ভূক্তাবিশেষ দিতে পারিনা অন্য কারো
রাজাকার শেষ হলো ফাঁসি হলো রায় চোর গুলো রয়ে গেল মুজিবের নায়। ইঁদুরের মতো কেটে করে দিল নাশ সোনার বাংলা তুমি চোরের নিবাস! ধন জন সাকুল্যে বিবিধ রতন পাচারে লিপ্ত
কেউ আমাকে দেখেনা প্রকৃতির সাথে বেড়েছে বিস্তর দূরত্ব। অদৃশ্য হবার স্বেচ্ছাচারিতায় ব্যস্ত আমার অহংবোধ নিয়তিও বধির বিনাশে ধাবমান আমায় গিলে ফেলতে উদ্যত! প্লিজ আমাকে গ্রহণ করো। বিরহ, তুমি যেখানেই যাও
টেবিলে বসলাম সবে মাত্র স্নান- পুজোর পর। এবার আমার লেখার সময়।সকলেই জানে সেটা। এখন ঘন্টা দুয়েক নো টক, নিতান্ত জরুরি দরকার না থাকলে। অলিখিত নোটিশ এ বাড়িতে সকলে মানে গনে।
আমার ছেলেবেলাটা খুব শাদামাটা ছিলো। রঙিন ছিলো না। কিন্তু আমার পছন্দ ছিলো রঙ। উজ্জ্বল রঙ। আমার চারপাশ অনুজ্জ্বল, ধুসর ছিলো। চারপাশের মানুষগুলোও ছিলো কেমন রঙহীন ফ্যাকাসে। কিন্তু কল্পনায় আমি রঙিন
# মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি… # এক সাগর রক্তের বিনিময়ে… # পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে.. # লেফট রাইট লেফট রাইট… # হুঁশিয়ার হুঁশিয়ার… # পদ্মা মেঘনা যমুনা…
এই লেখাটি যখন লিখছি তখনও পৃথিবীজুড়ে করোনার তান্ডব চলছে। তবে থাইল্যান্ডের পাতায়ায় যেহেতু লেখাটি লেখার আগে অসংখ্যবার সরাসরি ব্যাংককের সুবর্ণভুমি ও ডনমুয়াং এয়ারপোর্ট থেকে পাতায়া যাওয়া হয়েছে তাই এই লেখাটি
এটি আমার জীবনের একটি ঘটনা।এই গল্পটি বলার আগে, একটু ভূমিকা দরকার। আমি ঊনিশ বছর বয়সে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পরি।রিউমাটয়েড আর্থারাইটিস্।সাদা বাংলায় যাকে বলে ‘বাত’।রোগটি ধরা পরলেও ঠিক সময়ে আর সঠিক