স্বর্গ বলো জান্নাত বলো সবই মায়ের কাছে, তবুও কেন অসহায় বৃদ্ধ-মা’য়েরা পড়ে থাকে রাস্তার পাশে? জীর্ণশীর্ণ রোগাক্রান্ত দেহখানি কেন ধুলাবালিতে মিশে? পোকারা অভয়ারণ্য গড়ছে সেই জীবন্ত স্বর্গতে , অনাহারে কাটে
প্রতিদিনের মতো রাত দশটায় যখন সজল আমার পিছনে এসে দাঁড়াল। আমি ঘাড় ঘুরিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে যেন নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারলাম না। এটা কীভাবে সম্ভব! প্রতিদিনের মতো আজও সজল
স্মৃতির পাতা উল্টে দেখো ঘুণ ধরেছে উপর নীচে, পেরেক ঠুকা দেয়াল দেখো ক্যানভাসে রং পড়ছে খসে, কোথায় যেন আটকে আছে পাপড়ি ঝরা নেশার পাতা, কম লিকারের চা’য়ের দোকান বেঞ্চি টুলে
একলা মনে একলা ঘরে ঘুরি দিবানিশি স্বপ্ন গুলো উড়ে বেড়ায় কেবল অহর্নিশি। সেই কবে স্বপ্ন দেখেছি পুতুল খেলার ছলে শিউলি কুড়াই মনের সুখে মালা দিলেম গলে। শৈশবের সেই স্মৃতি এখন
গোধূলি বেলায় হাতে পাওয়া চাঁদ কেটে যায় জীবনের সব অবসাদ মেঘেদের ওড়াওড়ি সংঘর্ষের ছল অতি নিকটে টলমল বৃষ্টির জল সরে গেলে সব মেঘ আকাশ খুশি দূরত্ব তোমার তরে বিষের বাঁশী
হারাধনের গল্প শুনিনি আমি, তবে জেনেছি তার ছেলে হারানোর তাপ; রোদ্দুর হতে চাওয়া অমলকে দেখিনি আমি, তবে বুঝেছি তার আশা না পুরণের ভাপ। বনলতাকে খুঁজিনি আমি, তবে শীতল অনুভবে ছুঁয়েছি
‘বাবা হয়ে মেয়ে আর জামাই এর শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে শুনতে তোমার নিশ্চয় ভালো লাগবে না, তাই চুপ ছিলাম এতদিন, কিন্তু তুমি যেভাবে জোর করছ মেয়েকে তার শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যাবার জন্য,
ঢাবির এস এম হলের সামনের এরিয়া। ঝুম বৃষ্টির মাঝে মুঠোভর্তি কৃষ্ণচূড়া হাতে ছেলেটা দৌড়োচ্ছে। লোকাল বাসের সামনের দিকের আয়নায় চেনা মুখটা দেখে জানালা দিয়ে উকি দিলো ইয়ানা। এই ছেলে এখানে
পথে পথে হেঁটে হেঁটে—যেই পথ আমি খুঁজি, সেই পথ যে নহে আমার, আমি তাহা বুঝি/ওগো আমি তাহা বুঝি— আমার পথ-তো চন্দ্র মুখে নীল আকাশে ওই আমি যাবো তুমিও যাবে— যতো
১০ই মে ছিল এক বীর শহীদের মৃত্যু বার্ষিকী। জাতি শ্রদ্ধা ভরে স্মরন করছে তোমায়। ৭১’এর বীর শহিদ : নামঃ শহীদ মো: জিয়াউজ্জামান, বাবাঃ ডা: মতিয়ার রহমান তালুকদার। মাতা: আখতারুন্নেছা বেগম