গত ১৯ জানুয়ারি ২০২৪ শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের জন্মদিন উপলক্ষে কবি সংসদ বাংলাদেশ আয়োজন করে ৩৯২ তম মাসিক সাহিত্য সভায় কবি জসীমউদ্দীন কবিতা সন্ধ্যা। কেন্দ্রীয় সভাপতি কবি ও
কত শত কাল কবিতা লেখা হয় না। আনমনে আবেগে এখন আর ঠিক আগের মত ছন্দ আসে না। কত শত কাল চলে যায় এমনিতেই, আটপৌরে জীবনের সরল সুদের সমীকরণে। এরপরেও ভাব
আপনি কী ভাবছেন? এখান থেকে বেরুবেন কী করে? এসব ভেবে অযথা সময় নষ্ট করবেন না। বসুন। একবার যখন এসেই পড়েছেন তবে বাষ্পের মতো বাদামী বর্ণের ধোঁয়ায়… আরে দেখুন তো,আপনি তো
জীবনের প্রেম প্রতিযোগিতার খেলায় হেরে যাওয়ায় হয় জয় পরাজয়।বার বার প্রেম প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনের সুযোগ পাওয়া কেউ দেয় কত শত বকা, ছ্যাঁকা উল্টো কথা হয়ে যায় বাঁকা। তথ্যপ্রযুক্তিতে প্রেম-ভালোবাসা এখন হাতের
আব্বা আমি সামনে ফেব্রুয়ারিতে দেশে যাবো। কতদিন হলো আপনাদের দে… – না বাজান তুমি এহন আইলে ঘরের বাকি কাজটা কেমনে হইবো? আর তোমার ছোট বইনডারে বিয়া দিতে হইবো না? বাড়িডার
আজ হৃদয় আমার হারিয়েছে কোন বনে মম তুমি বুঝি এলে ভালোবাসা হয়ে হৃদয়ের নীড় ভেঙে প্রেমময় কুঞ্জবনে? শরতের স্নিগ্ধ রাতে তুমি বলেছিলে কল আসবে আমার মুঠোফনে ওপাশ থেকে তোমার মধুরই
” এই মেয়ে এদিকে তাকাও। এই চিঠিটা ওইখানে বসে থাকা ছেলেটাকে দিয়ে এসেছো।” আচমকা অপরিচিত কিছু মেয়ে এসে পালককে উক্ত কথাগুলো বললো যা শুনে সে কিছু মূহুর্তের জন্য থমকে গেলো।
কিছু বন্ধু থাকে যাদের সঙ্গে আমাদের শুধু দরকারের সম্পর্ক। দরকার পড়লে কথা হয়, নতুবা মাসের পর মাস যোগাযোগ থাকে না। রিমী আমার তেমনই এক বন্ধু। হসপিটাল থেকে ফিরে সবে বাড়িতে
কামনার ডগায় উঠে উলঙ্গ ফরিং কামনা নৃত্য হয় রঙিন! সব সুখ শুষে নিয়ে লাফায় কলাব্যঙ আনন্দে ঝিকঝিক করে ঘ্যাং ঘ্যাং! উলঙ্গ ফরিং তুই এত লজ্জাহীন ব্যঙ কহে আমি ভালো নেই
গেলো ২৫ জুনে লেখা এই ছড়াটাও ফেসবুকে দেয়া হয়নি। গদ্য রচনার ফাইলে একদম নিচে পড়ে থাকা আমার অবহেলিত ছড়াসমূহের মধ্যে ইনিও একজন! সাম্প্রতিক প্রাসঙ্গিকতা বিবেচনায় ছড়াটা পড়া যেতেই পারে। আজকের