1. banglamailnews72@gmail.com : banglamailnews : Zakir Khan
রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:০৪ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
২০০৫ সালের ৫ আগষ্ট – – – – – জাকির খান চার দশকেরও অধিক ইমামতির জীবনের আনুষ্ঠানিক বিদায়-এক আবেগঘন স্মরণীয় দিন! ফেইসবুক ম্যাসেঞ্জারে লাইভ কবিতার আড্ডা হবে ————————————– এক মুঠো কদমের গল্প _ _ _ এঞ্জেল নীপা _ ______________ আমার আব্বা মোঃ আলমগীর খান – না ফেরার দেশে চলে গিয়েছিল – – –৩টি বছর অতিক্রম করলো আল্লাহ্‌,আল্লাহ্‌,আল্লাহ্‌ – – – জাকির খান মিরপুর ২ এ জাতীয় গৃহায়নের নিষ্কন্টক ৭৬ কাঠা জমিতে, শেয়ারে নির্মিত হতে যাচ্ছে সুপার কন্ডোমিনিয়াম ” দা ফ্যালকন হাইটস” নীলকলম সাহিত্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ,নীলকলম সভাপতি বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক মাহবুবা চৌধুরীর নেতৃত্বে আমরা আজ এক ঝাঁক সাহিত্য প্রেমী গিয়েছিলাম মানবিক কাজে ,বেওয়ারিশ মানবসেবা বৃদ্ধাশ্রমে – – – – শিরিন আফরোজ মাত্র ৮,০০০ টাকা মাসিক কিস্তিতে শুরু হোক আপনার স্বপ্নের বাড়ির যাত্রা কৃষিবিদ সিটিতে ———– শিক্ষা কোনো দল, মত বা আদর্শের বিষয় নয়; বরং এটি একটি সার্বজনীন সামাজিক দায়িত্ব – – – লামিয়া ইসলাম

গল্পঃ খুনী ### লেখাঃ ফারজানা ববি

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৪৭৫ বার
‘ভাইজান কী খাচ্ছেন?’
জামাল চমকে তাকায়। এই সম্ভোধনে তাকে শুধু রাহেলাই ডাকত। আদুরে ডাক নয়, ক্ষেপানোর জন্যই এই সম্ভোধন। রাহেলাটাই ছিল এমন, কার কী অপছন্দ খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে বের করে অপছন্দের কাজগুলোই করত যাতে অন্যকে বিরক্ত করা যায়। জামাল রাহেলার বিনুনি করা চুলের মুঠি ধরে হ্যাচকা টানে বিছানায় ফেলে দিয়ে কিল-চড়-থাপ্পড় মারতে মারতে বলত, ‘হারামি তোরে কতবার কইছি ভাইজান ডাকবি না। কথা কানে যায় না?’
-আর কমু না ভাইজান। ছাইড়া দেন, ছাইড়া দেন।
-আবার কইলি!
রাহেলা নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে এক দৌঁড়ে রান্নাঘরে গিয়ে মায়ের আঁচলের তলায় লুকিয়ে পড়ত। আহা! সেই দিন!
আগন্তুকের দিকে তাকিয়ে বিরক্তিভরা চোখে জামাল বলে, ‘কেন দেখতে পাচ্ছেন না পানি খাচ্ছি।’ লোকটা দাঁত বের করে হাসে। ‘ভাইজান দেহি মজাও করেন। পানি কী লাল হয়?’
-কেন লাল পানির নাম হুনেন নাই?
-ভাইজান কী দিনে দুপুরে মদ খান?
‘ধুরো’ বলে উঠে যায় জামাল। এই লোক তাকে চূড়ান্ত রকমের বিরক্ত করছে। সে এভাবে বিরক্ত হচ্ছে কিন্তু আশে-পাশের কেউ লোকটাকে কিছু বলছে না। যেন বিরক্ত করা ব্যাপারটাই স্বাভাবিক। এখানে থাকলে শান্তিতে থাকতে দেবে না। চায়ের বিল মিটিয়ে বাড়ির পথে হাঁটা শুরু করে জামাল। জামালের পেছনে পেছনে লোকটাও হাঁটতে থাকে। জামাল এবার মাথা ঠান্ডা করে।
-আপনি আমার কাছে কী চান বলেন তো। পেছনে পেছনে হাঁটছেন কেন?
-তাইলে ভাইজান পাশাপাশি হাঁটি?
-খবরদার! ভাইজান ডাকবেন না।
-আচ্ছা ডাকতাম না। আপনে কী সবসময় এমন চেইতা থাকেন?
-ভাই যান তো বিরক্ত কইরেন না। কাম-কাইজ না থাকা মানুষরাই আকামের ধান্ধায় থাকে। আপনে আকাইম্মা মানুষ।
লোকটা আবার দাঁত বের করে বিশ্রীভাবে হাসে। জামালের রাগ হলেও আত্মসংবরণ করে নেয়। দুজনই নিঃশব্দে হাঁটে। লোকটা এবার জামালের আরো কাছাকাছি চলে আসে। তার ঘাড়ে যেন সে নিঃশ্বাস ফেলছে। কড়া ভাষায় কিছু বলার জন্য পেছনে তাকায় জামাল। কী আশ্চর্য! লোকটা কোথাও নেই। এরমধ্যে কোথায় হাওয়া হয়ে গেল! জামাল থ হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে। মোড়ের মুদি দোকান থেকে একমুখী রাস্তা একেবারে তার বাড়িতে গিয়ে মিশেছে। রাস্তার দুই পাশে দুটো পুকুর। এছাড়া দ্বিতীয় কোনো রাস্তা বা পথের অস্তিত্ব নেই। দিনের বেলায়ও গায়ে কাঁটা দেয় জামালের। দ্রুত হাঁটতে থাকে। প্রতি কদমের সাথে যেন পথ লম্বা হয়ে যায়।
সে রাতে আবার স্বপ্নে লোকটাকে দেখে জামাল। তেমনভাবে দাঁত বের করে হাসছে। জানালার রেলিং ধরে ঝুলতে ঝুলতে জামালকে বলছে, ‘ভাইজান কী খাচ্ছেন?’
চলবে…

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..