রাতের খাবার খেয়ে বিছানায় আসার পর আমি ভয়ে ভয়ে থাকি। কখন না জানি সোহাগ আমার ভিতরে ভিতরে কি চলছে টের পেয়ে যায়। এমনিতেই সারাদিনের কাজের পর শরীর ছেড়ে দেয়। ঘুম
‘মান্ধাতার আমল’ বাংলা ভাষায় লিখিত এবং মানুষের মুখে মুখে ফেরা শব্দগুলোর একটি। খুবই প্রাচীন বা পুরনো কিছু বোঝাতে এই শব্দের ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই শব্দ শুনলে প্রথমেই প্রশ্ন মনে
অফিস থেকে ফিরতেই মা আমার বউয়ের নামে একগাদা অভিযোগ শুনিয়ে দিলেন। সারাদিন কাজকর্ম করে আমি ক্লান্ত।তবুও ধৈর্য নিয়ে শুনলাম উনি বললেন, “জুনায়েদ তোর বউ সারাদিন কাজকর্ম কিছুই করে না বসে
ভোরের পাখি জেগে আমায় করছে ডাকাডাকি, চোখ খোলো ওগো খোকনসোনা নাইকো যে রাত বাকি, এত সময় কেউ কখনও ঘুমিয়ে থাকে নাকি? সূর্যি মামাও দুষ্টু বেজায় দিচ্ছে আমায় ফাঁকি, বলো মা
স্বাধীনতা হলো স্ব-অধিকার স্বেরাচারীতা নয় তবে বোধ – বুদ্ধির সীমানায় বিবেচিত অধিকার স্থাপন, যা আমাকে বাঁচতে শিখায়, ভাবতে শিখায় আমার আমিকে, দলিলগত অবস্থান আমার। চির সত্যের কাছে আমাকে পোঁছে দিতে
ছোটবেলা সবার তরে মধুময় হয়না কোন তবুও সে কি আকুতি একবার ফিরে পেতে আমি কভু ঘুনাক্ষরেও চাইনি পেতে ফিরে আজ খুব করে ইচ্ছে করছে একবার শুধু একবার ফিরে যেতে কাঁদব
অমল রোদ্দুর হতে চায়নি চেয়েছিলো মানুষ হতে কিংবা বৃক্ষ আমরা রোদ্দুর বানিয়েছি অমলকে শীতে উষ্ণতার জন্য স্যাঁত স্যাঁতে ঘরকে ধোপদুরস্ত করা রাস্তাঘাটের মালিন্য মুছে দেয়া টবের গাছগুলোর সালোকসংশ্লেষের স্বার্থে আমরা
ঃ আরে, ও তো চাকরি করে। বাচ্চা সামলাবে কখন? ঃ আরে, ও তো ঘরে বসে থাকে। আজকালকার দিনে কী করে বাচ্চা মানুষ করতে হয়, জানে নাকি? ঃ চাকরি করা মেয়ে।
অচিন দেশের মানুষ তুমি প্রাণতো তোমায় চিনে না নাহি রইলে সম্ময়নে মন যে মানেনা। সদাই খুঁজি তোমার তরে কোথায় তুমি কোন বনে? বিরহ ব্যথায় ব্যথিত আমি বাঁধ মানেনা মনে। কোন
আকাশ থেকে নীল নেমেছে,অঙ্গ শুভামিত- নীলের সাথেই নীল মিশে হয়,জীবন অমৃত ! তুমি শুধু জানো না,এই নীলের ব্যবধান নীল থেকেই নীল হয়েছে,প্রেমের উপাখ্যান ! নীলের পথে হাটছি একা,নীল উপসংঘ পাথরগুলো