আমার এগারোতম বিবাহ বার্ষিকীতে মাহমুদ আমাকে খাঁচাবন্দি দুটি পাখি উপহার দেয় l সেই পাখি পেয়ে আমার খুশি দেখে মাহমুদ বিস্মিত হয় l ওদের পরিচর্যায় আমি নিজেকে ব্যস্ত রাখি, গাছের পরিচর্যা
যুদ্ধ চলছে সারা দেশে। দেশের জনগন রাস্তায় নেমেছে নিজের দেশকে মুক্ত করতে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে। যে যেমন হাতিয়ার পাচ্ছে তাই নিয়েই ঝাপিয়ে পরছে পাকবাহিনী হানাদারদের বিরুদ্ধে। মুজিবর বিয়ে করেছে প্রায়
তোমারে, আমার খামাখাই ভাল্লাগে। দেখতে ভাল্লাগে, শুনতে ভাল্লাগে, তোমার কথা ভাবতে ভাল্লাগে। তোমারে নিয়া কিছু বলতে ভাল্লাগে, দুই কলম লেখতে ভাল্লাগে। ভাল্লাগাইতেও ভাল্লাগে। কারণে-অকারণে, ব্যাকরণে ভাল্লাগে । হুদাইহুদাই ভাল্লাগে। ❝ক্যান,
গলার উপরে ওড়না জড়ানো মেয়েটি হলো স্মার্ট , স্কীন টাইট লেগিন্সে হিপের উপরে টপস পরা মেয়েটি হলো স্মার্ট, বাইকের দুদিকে পা দিয়ে বসা মেয়েটি হলো স্মার্ট, পার্কে বসে ওপেন চুম্বন
শুধু মাতাল ডিজেল নয়, আমার মধ্যে ছড়া চেতনা এবং ছন্দ দ্যোতনা সৃষ্টিতে ‘মিলাদ মাহফিল’-এর ভূমিকাটিও এখানে স্মর্তব্য। ছেলেবেলায় খুব আগ্রহ নিয়ে মিলাদে অংশ নিতাম। তবে এর নেপথ্যে খুব জোড়ালো কোনো
রবীন্দ্রনাথ এসেছে বলে শুনে যাই এতো গান , কবিতা ছড়ায় রবীন্দ্রনাথ রেখেছে বিশ্বে মান। আমার আছে বুক পকেটে রবীন্দ্রনাথ জুড়ে, এখানে ওখানে চতুর দিকে তিনি গানের সুরে। গল্প কবিতা কিংবা
ঈদ ধর্মীয় উৎসবের গণ্ডি ছাড়িয়ে এখন ধর্মবর্ণ-নির্বিশেষে সবার কাছেই এক আনন্দধারার নাম। আর আনন্দের ঈদকে কেন্দ্র করে লেখা আনন্দ-বেদনার একগুচ্ছ গল্প নিয়ে ‘ঈদের গল্প’ প্রকাশ করল ‘ঐতিহ্য’। মোহাম্মাদ মোসলেহ উদ্দিনের
“দাদা নতুন ডিজাইনের আর কোনো শাড়ি নেই? দোকানি বিড়বিড় করতে লাগল, ” আরো নতুন ডিজাইনের শাড়ি! “ ” প্লিজ দাদা, আপনি এমন কিছু দেখান, যেটা সম্পুর্ণ লেটেস্ট। সব বয়সী রমণীকে
চব্বিশ বছরের কুমারী জীবনের ইতি টেনে এক বুক আশা নিয়ে বাবার ঘর থেকে স্বামীর ঘরে পা রাখলো দীপা। আজ তার বিয়ের প্রথম রাত। খুব কাছের প্রিয় বান্ধবী মিমির বিয়ের গল্প
কবি লিখলো ভোরের আকাশ আর সাথে সাথে জানালায় গলা বাড়িয়ে দিলো সূর্য লিখলো স্রোতস্বিনী নদী শব্দের ভেতর থেকে বেরিয়ে নদী ছুটলো সমুদ্রে এলো রূপালি মাছের কথা সাথে সাথে লাফিয়ে নদীতে