পাখির মতো যদি থাকতো ডানা উরে যেতাম মদিনা মনে বড় সাধ ছিল যাবো সোনার মদিনা। কবে যে সুযোগ হবে আমি জানি না। মনে বড় সাধ ছিল যাবো সোনার মদিনা।
আমার যেতে ইচ্ছে- করে ময়না মতির ওপারে – যেথায় স্বপ্নে ঘেরা পল্লী মায়ের শীতল পরশ জুড়ে”৷ সেথায় প্রাণের বধু লেখতো চিঠি ভাঙ্গা ভাঙ্গা হাতে- লেখতো প্রিয় আর কত দিন থাকবো
#ভালবাসা_রং_পাল্টায়_না পর্ব-১ সময়টা নব্বই দশকের মাঝামাঝি। একদল স্কুল পড়ুয়া ছেলেমেয়ে মফস্বলের এক সরকারী কোয়ার্টারের মাঠে খেলা করছে। কিছু বুঝে উঠার আগেই তাদের মাঝে অতি তুচ্ছ একটা বিষয়ে ঝগড়া শুরু হয়ে
জীবন তো পলক নয় এ জীবন প্রেমের উপাস্যলয়।জীবন লোকে অনুরাগ হয় অভিনিবেশ।প্রীতি থেকে প্রস্ফুটিত অনুভুতি মহাপলয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হলো অধ্যয়ন এর আশ্রয়স্থল।সেটি বিদ্যাপীঠে ছাত্রাবাস থেকে পরিচয়।সেই পরিচিতি থেকেই দু’জন
সায়াহ্ন বেলায় ফেলে আসা অনেক ইচ্ছের কথা মনে পড়ে। নক্ষত্রের চোখের ইশারায় তাদের কথা রাখার ইচ্ছে গুলো সব হারিয়ে গেল। জীবন মিনারের খাঁজকাটা গায়ে পা রেখে শ্যাওলা সবুজ ছায়া গুলো
আমায় পাবে না খুঁজে আমাকে দূরে চলে যেতে হবে অনেক দূরে কেউ কোন ভাবেই পাবেনা আমার দেখা , যেখানে দিন ক্ষণ তারিখ কিছু রবে না লেখা! জানিনা এমন সন্ধান মিলবে
বালুর মাঠের কোলে শুয়ে থাকা সেই মরা গাছটা, তোমার আমার রোজকার যত্ন-আত্তির সাক্ষী। হতো দেখা, কথা সোহাগ আর সহজতর বুঝাবুঝি, তুমি ভালোবাসায় মত্ত হয়ে জীবন দিতে রাজি। স্বপ্ন কুঁড়িয়ে
দাম বেড়ে যাক এসি-টিভির, চোখধাঁধানো গাড়ির দাম বেড়ে যাক ঝলমলানো মনভোলানো শাড়ির দাম বাড়ালে নেই তো ক্ষতি মদের– নেশার ঘোরে যা হবে হোক ওদের দাম বাড়লে বাড়ুক না বাপ পা
পর্বঃ ০১ কোন এক বিষন্ন প্রাতে তার সঙ্গে আমার প্রথমবার দেখা হয়েছিলো, বড়ই সাদামাটা সাক্ষাৎ। আমি সবে লঞ্চঘাট থেকে সিএনজি করে বাড়ি ফিরেছি, ড্রাইভারের কাছে পাঁচশো টাকার খুচরো ছিলো না।
এমনকি তার ঠিকানা ও অনামিকাকে দিতে পারেনি।নুর তার ঠিকানা ও জানতে পারেনি।বাড়িতে আসার পর তার বাবার মৃত্যু সংবাদ শুনে অসহ্য বেদনায় ওহ্ বলে লুটিয়ে পড়ল মাটিতে।কিছুক্ষন পূর্বে নুরের মনে