: ইরানের রাজধানী তেহরানের আন্দিশাহ হলে অনুষ্ঠিত ৩৮তম আন্তর্জাতিক হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় ঢাকার মিরপুর-১ এ অবস্থিত মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামীর ছাত্র হাফেজ সালেহ আহমাদ তাকরীম সারা বিশ্বের অংশগ্রহণকারী সকল
জীবন, জীবনটা খুব ছোট না আবার অনেক বড়ও না।জীবন জীবনের সমান্তরাল রেখায় চলে।সমান্তরাল রেখা থেকে আমরাই মাঝে মাঝে সরে যাই আর দোষ দেই আমাদের নিয়তি কে। জীবনে এমন অনেক সময়
আমার মতো অবুঝ মায়েদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। আমি আবার বেশি কথাবলা পছন্দ করি না, সে কারণে প্যাচাল না-পেড়ে আসলকথায় আসি। ঘরে যাদের তের-চৌদ্দ বছরের পুত্র আছে তারাই জানে
রাসুলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, তোমরা আল্লাহকে ভয় করে চলবে এবং শাসনকর্তৃপক্ষের আমীর বা খলিফার নির্দেশ শুনবে ও মানবে,এমনকি সে যদি হাবশী গোলামও হয়।কেননা,আমার পর তোমাদের মধ্যে যে জীবিত
ব্যক্তিগত আলাপ-পরিচয় ছিলো না ওর সঙ্গে। একান্তে কিংবা জনকলরবেও কখনো বসা হয়নি আড্ডায়। কিন্তু আমার আগ্রহের তালিকায় আলাদা ঔজ্জ্বল্যে দীপ্যমান ছিলো হুমায়ুন সাধু নামের মানুষটা। যাকে আমি প্রথম দেখেছিলাম কানাডায়
সৌদি আরবের ইমাম সউদ ইউনিভার্সিটির একজন শিক্ষার্থী দ্বিতীয় সেমিস্টারে পুরো ফ্যাকাল্টিতে ফার্স্ট হলেন। আরব দেশের এক বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন নন-আরব ফার্স্ট হলেন, এটা যেনো চমক লাগানো সংবাদ। সাংবাদিক সাক্ষাৎকার নেবার জন্য
একজন এতিম ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যাক্তি। আমাদের মিরপুর ১২ নম্বরের সকলের প্রিয়। #পেয়ারু ভাই আর আমাদের মাঝে বেঁচে নাই। একজন সাদা মনের, পরিশ্রমী মানুষ। আল্লাহ অবশ্যই তাকে বেহেশত নসীব করবেন।
যেমনটা আমি বলছিলাম যে, শুধু রোযা রাখা এবং তারাবীহ পড়াতেই সীমাবদ্ধ থাকা অনুচিত। বরং রমজানের শুরু থেকেই কেউ যদি দুটি কাজ গুরুত্ব সহকারে করে, ইনশাআল্লাহ্ এটা ব্যক্তি জীবনে বড় সুন্দর
সবাই আপনারা প্রশ্ন করছেন হোসনে আরা রিতা মারা গিয়েছেন কিনা? কে এই আইডি থেকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন? আমার মনে হয় আরেকটু ক্লিয়ার করে লেখা উচিত ছিল আমার। সত্যি বলতে মানসিকভাবে আমরা
তিরিশ বছর হয়ে গেলো একসাথে আছি। যথার্থ শোনায়, তার সংসারে তার সাথে বাস করি বললে। তিরিশ বছর কেটেছে। আমাদের সন্তানদের জন্মতারিখ বলতে পারবো- কার কত বয়স হলো বলতে গেলে হিসাবে