1. banglamailnews72@gmail.com : banglamailnews : Zakir Khan
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
মিরপুর ২ এ জাতীয় গৃহায়নের নিষ্কন্টক ৭৬ কাঠা জমিতে, শেয়ারে নির্মিত হতে যাচ্ছে সুপার কন্ডোমিনিয়াম ” দা ফ্যালকন হাইটস” নীলকলম সাহিত্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ,নীলকলম সভাপতি বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক মাহবুবা চৌধুরীর নেতৃত্বে আমরা আজ এক ঝাঁক সাহিত্য প্রেমী গিয়েছিলাম মানবিক কাজে ,বেওয়ারিশ মানবসেবা বৃদ্ধাশ্রমে – – – – শিরিন আফরোজ মাত্র ৮,০০০ টাকা মাসিক কিস্তিতে শুরু হোক আপনার স্বপ্নের বাড়ির যাত্রা কৃষিবিদ সিটিতে ———– শিক্ষা কোনো দল, মত বা আদর্শের বিষয় নয়; বরং এটি একটি সার্বজনীন সামাজিক দায়িত্ব – – – লামিয়া ইসলাম শীতে কাঁপছে দেশ     – – – –           নার্গিস আক্তার  কি আজব এ দুনিয়া! – – – – – জাকারিয়া হাসান সুমন জ্যোতিষ রাজ লিটন দেওয়ান চিশতী সাহেবের সঠিক পরামর্শ নিন ———————— সাউথ এশিয়ান হোল্ডিংস লিঃ এর কিছু প্রজেক্ট দেয়া হলো……………………………… “মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠ এবং বিভিন্ন বিষয়ে অবদানের জন্যে গুনীজনদেরকে লালকুঠি সাহিত্য পরিষদ পদক প্রদান অনুষ্ঠান – মধুর দেশ বাংলাদেশ – – – – জাকির খান

কি আজব এ দুনিয়া! – – – – – জাকারিয়া হাসান সুমন

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২১৫ বার
কর্পোরেট জগতে অনেক কিছুই ঘটে যা শুধু মানুষকে দেখানো। আজকাল এই কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান গুলোর মালিক গন যখন একজন কর্মী নিয়োগ দেন তখন তাদের জ্ঞানের বুলি এতটাই স্বচ্ছভাবে শোনানো হয় যে, তার মতো ভালো ও ধার্মিক মানুষ খুবই বিরল মনে হয় সেই কর্মীর কাছে। ব্যস সেই থেকে কর্মীও নিজের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করে তার প্রতিষ্ঠান এর জন্য। তার বেতন ধরা হয় নিয়ম অনুযায়ী, আর কাজের ক্ষেত্রে বেশি কাজ করাতে নিয়মের কোন তোয়াক্কা নেই। তখনও কর্তৃপক্ষ বলে তুমি তো এই পরিবারের একজন সদস্য (প্রতিষ্ঠান তখন পরিবার হয়ে যায়), পরিবারের জন্য একটু বেশি কাজ করলে কি তার জন্য কিছু আশা করা উচিৎ। কর্মী তখন বিবেকের দায় নিয়ে আপন মনে কাজ করে যায়। দিন যায়, মাস যায়, বছর যায়। কর্মীর পরিশ্রম এর ঘামে প্রতিষ্ঠান / পরিবার ঘুরে দাঁড়ায়। আর তখনই কর্পোরেট মালিকদের দানশীলতা বেড়ে যায়, তবে তা কর্মীর জন্য নয়, নিজের আত্ত্বীয় স্বজনের জন্য। যে কর্মী এতটা বছর ঘাম ঝরিয়ে আশায় বুক বাধে যে এবার হয়তো মালিক তার প্রতি সুনজর দিবে। সে আশায় একটু ধাক্কা লাগে। তারপরও বিশ্বাস করে আবারও মালিকের সেই আত্ত্বীয় নিয়ে মন-প্রাণ উজাড় করে কাজ করতে থাকে। নতুন কলিগকে যোগ্য করে গড়ে তুলে। আর তখনই ধাক্কা খায় যখন মাস শেষে দেখে তার ১০ বছরের শ্রমের যে মাসিক মুল্য দেয়া হয় সেখানে শুধুমাত্র আত্ত্বীয় হওয়ার জন্য তাকে তার চাইতে অধিক মুল্য দেয়া হচ্ছে, যে কিনা দুদিন হয়নি কর্পোরেট জগতে এসেছে। যে কিনা শ্রমিক এর দশ ভাগের এক ভাগও কাজ করে না। তখনই মনটা ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। আর তখন মনে হয় যে, তাকে কাজ করানোর জন্য মালিকের যে বুলি তা কতটুকু ঈমানদার পরিচয় বহন করে। মানুষের সামনে তাদের চলাফেরা, ধর্ম পালন, ঈমানের কথা বলা, সততার কথা বলা এগুলোর কতটুকু মুল্য বহন করে। তুমি মালিক তোমার টাকা আছে তুমি যা খুশি করার ক্ষমতা রাখো। তুমি অবশ্যই আত্ত্বীয় স্বজনের জন্য করবে এটা ইসলামের সৌন্দর্য। কিন্তু যখন তোমার প্রতিষ্ঠান এ অসহায় কর্মীর সাথে আত্ত্বীয়তার জন্য তাকে ঠকাবে তখন সেটা ঈমানের পর্যায়ে থাকে না। তখন তা পোষাকী ধর্মের মধ্যে পড়ে যায়। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে মানুষের সাথে মানুষের তুলনায় এভাবেই পিষ্ট হয়ে নিরব কান্নায় কত মানুষ দিন কাটায়, কি পরিমাণ হাহাকারের প্রতিধ্বনি তুলছে তা কখনো সেই মালিকের কানে পৌঁছে না। আত্ত্বীয় স্বজনের জন্য করবে সেটা প্রতিষ্ঠান এর বাইরে থেকেই করা যায়, তাতে কারও কিছু বলার থাকে না, এবং আল্লাহ পাক খুশি হন, কিন্তু যখন প্রতিষ্ঠানিক বিষয় জড়িয়ে শ্রমিকের ন্যায্য মুল্য থেকে বঞ্চিত করে আত্ত্বীয় কে বড় করে দেখা হয় তখনই সেখানে অপরাধের জন্ম নেয়। তারমানে তোমার দুই ধরনের দৃষ্টির কারণে একজন অপরাধী জন্ম নেয়। তাহলে কোথায় থাকে তার ঈমান, তার ধর্মীয় বুলি। আমার জানা নাই, আল্লাহ ভালো বলতে পারবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..