1. banglamailnews72@gmail.com : banglamailnews : Zakir Khan
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৪:০৭ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মিরপুর ২ এ জাতীয় গৃহায়নের নিষ্কন্টক ৭৬ কাঠা জমিতে, শেয়ারে নির্মিত হতে যাচ্ছে সুপার কন্ডোমিনিয়াম ” দা ফ্যালকন হাইটস” নীলকলম সাহিত্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ,নীলকলম সভাপতি বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক মাহবুবা চৌধুরীর নেতৃত্বে আমরা আজ এক ঝাঁক সাহিত্য প্রেমী গিয়েছিলাম মানবিক কাজে ,বেওয়ারিশ মানবসেবা বৃদ্ধাশ্রমে – – – – শিরিন আফরোজ মাত্র ৮,০০০ টাকা মাসিক কিস্তিতে শুরু হোক আপনার স্বপ্নের বাড়ির যাত্রা কৃষিবিদ সিটিতে ———– শিক্ষা কোনো দল, মত বা আদর্শের বিষয় নয়; বরং এটি একটি সার্বজনীন সামাজিক দায়িত্ব – – – লামিয়া ইসলাম শীতে কাঁপছে দেশ     – – – –           নার্গিস আক্তার  কি আজব এ দুনিয়া! – – – – – জাকারিয়া হাসান সুমন জ্যোতিষ রাজ লিটন দেওয়ান চিশতী সাহেবের সঠিক পরামর্শ নিন ———————— সাউথ এশিয়ান হোল্ডিংস লিঃ এর কিছু প্রজেক্ট দেয়া হলো……………………………… “মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠ এবং বিভিন্ন বিষয়ে অবদানের জন্যে গুনীজনদেরকে লালকুঠি সাহিত্য পরিষদ পদক প্রদান অনুষ্ঠান – মধুর দেশ বাংলাদেশ – – – – জাকির খান

প্রিয় শিক্ষক কথন: — আবুল হাসনাত

  • আপডেট টাইম : মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৪৭ বার

স্কুল ছুটির পর বই খাতা ফেলে দুহাত মেলে ভোঁ দৌড় দিয়ে ক্রিকেট মাঠে যাবার জন্য যেভাবে সারাদিন প্রহর গুণতাম, তার চেয়ে বেশি ব্যাকুলতা সাজিয়ে আগ্রহ মাখিয়ে আবেগ জমিয়ে প্রতীক্ষা করতাম নারায়ণ স্যারের ক্লাসের জন্য।
তিনি যেন বয়স লুকিয়ে, কিশোরত্ব জাগিয়ে, কল্পনার নাও ভাসিয়ে, নব জীবনের গান গেয়ে, মনস্তত্ব সাজিয়ে, হাজির হতেন ঐ আমাদের বয়সীদের কাতারে।
মাথার সামনের অংশে দশ বারটা মতো চু্ল ছিলো উনার। চুলগুলো না থাকলে যে কোন গেরস্ত ঘরের গৃহবধূ অবলীলায় তাঁর মাথায় পরাটা বানাতে পারতেন। প্রতিটি চুল পাঁচ ছ ইঞ্চি মতো লম্বা। কোমলমতিদের মতো নারিকেল তৈল মাখিয়ে ডান পাশে বাঁকিয়ে সিঁথি পেড়ে আসতেন স্কুলে। ঐ চুলগুলো যেন জেদী প্রেমিক প্রেমিকার মতো শত বিরহে না ছাড়ার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে একে অপরকে জড়িয়ে থাকতো। দিনের সময় বাড়ার সাথে সাথে সূর্যালোকের মতো নারিকেল তেলের শক্তি কমে যেতো। ধীরে ধীরে চুলের বন্ধন আলগা হতো। ফ্যানের তীব্র বাতাসে ঐ দশ বারটা চুল টিলার মতো হয়ে গোছা আকারে চক্রাকারে ঘুরতো আকাশপানে। বারবার ঠিক করতে যেয়ে লজ্জা পেয়ে হার মানতেন তিনি। সব শেষে, লাজ ঝেড়ে হাল ছেড়ে নিজেই উপভোগ করতেন চুল উড়াউড়ির দৃশ্য। ঠোঁটের কোণায় হাসির ক্ষীণ রেখা জেগে ধীরে ধীরে দখিনা হাওয়ার মতো সারা মুখে ছড়িয়ে পড়তো। আহ! সৌন্দর্য!
ক্লাসে ঢুকতেন গাম্ভীর্য আর চাতুর্যের দ্বি-মনন নিয়ে। মুহুর্তেই শ্রাবণ ধারার মতো মুখমণ্ডল থেকে ঝরে পড়তো সব গাম্ভীর্য। শ্রেণীকক্ষের প্রতিটি কোণা জেগে উঠতো উনার আগমনী বার্তায়। চলন্ত পাখার মতো ক্লাসের চারদিকে ঘূর্ণায়মান থাকতেন তিনি। পিছনের বেঞ্চে বসে থাকা দুষ্টু ছেলেরাও তাদের দুষ্টামি কিছু সময়ের জন্য দূর আকাশের কোন ব্যাংকে জমা রেখে সমস্ত কৌতূহল স্যার কে বিলিয়ে দিতেন।
কী দারুণ সব উদাহরণ দিয়ে শিখিয়ে দিতেন কালাধিকার, ভাবাধিকরণ , সন্ধি, সমাস ও বিভক্তি; কী চমৎকার সব যুক্তি; কী অদ্ভুত ব্যাকরণ-ভক্তি; এসবই স্যারের শক্তি; মাপার নাই কোন নিক্তি; উপমার নাই উক্তি।
(বিঃ দ্রঃ নীচের ছবির তিনজনই আমার স্কুল জীবনের প্রিয় শিক্ষক। ছবির ডানে শ্রদ্ধেয় নারায়ণ স্যার।)
May be an image of 3 people, people standing, tree and outdoors

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..