1. banglamailnews72@gmail.com : banglamailnews : Zakir Khan
শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনামঃ
মিরপুর ২ এ জাতীয় গৃহায়নের নিষ্কন্টক ৭৬ কাঠা জমিতে, শেয়ারে নির্মিত হতে যাচ্ছে সুপার কন্ডোমিনিয়াম ” দা ফ্যালকন হাইটস” নীলকলম সাহিত্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ,নীলকলম সভাপতি বিশিষ্ট কবি ও সাহিত্যিক মাহবুবা চৌধুরীর নেতৃত্বে আমরা আজ এক ঝাঁক সাহিত্য প্রেমী গিয়েছিলাম মানবিক কাজে ,বেওয়ারিশ মানবসেবা বৃদ্ধাশ্রমে – – – – শিরিন আফরোজ মাত্র ৮,০০০ টাকা মাসিক কিস্তিতে শুরু হোক আপনার স্বপ্নের বাড়ির যাত্রা কৃষিবিদ সিটিতে ———– শিক্ষা কোনো দল, মত বা আদর্শের বিষয় নয়; বরং এটি একটি সার্বজনীন সামাজিক দায়িত্ব – – – লামিয়া ইসলাম শীতে কাঁপছে দেশ     – – – –           নার্গিস আক্তার  কি আজব এ দুনিয়া! – – – – – জাকারিয়া হাসান সুমন জ্যোতিষ রাজ লিটন দেওয়ান চিশতী সাহেবের সঠিক পরামর্শ নিন ———————— সাউথ এশিয়ান হোল্ডিংস লিঃ এর কিছু প্রজেক্ট দেয়া হলো……………………………… “মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও কবিতা পাঠ এবং বিভিন্ন বিষয়ে অবদানের জন্যে গুনীজনদেরকে লালকুঠি সাহিত্য পরিষদ পদক প্রদান অনুষ্ঠান – মধুর দেশ বাংলাদেশ – – – – জাকির খান

#শোক_সংবাদ ### আদৃতা মেহজাবিন এর বাবা আজ দুপুরে এনায়েতপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে না ফেরার দেশে চলে গিয়েছে

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ৮৭৫ বার

সোশ্যাল মিডিয়ার প্রিয় মুখ, অন্যপ্রকাশসহ কয়েকটি গ্রুপের এডমিন, নবীন সাহিত্যিক

Adrita Mehzabin

(আদৃতা মেহজাবিন) এর বাবা আজ দুপুর নাগাদ এনায়েতপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা গিয়েছেন।

( ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না লিল্লাহি রাজিউন)
তিনি বিভিন্ন শারিরিক জটিলতা নিয়ে গত প্রায় এক মাস যাবত আইসিউ এবং লাইফ সাপোর্ট এ ছিলেন। কিন্তু আজ দুপুরে তিনি মৃত্যুর কাছে পরাজিত হলেন। এক মা আর দুই মেয়ের সকল চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে তিনি চলে গেলেন। আমরা হিজিবিজি সাহিত্য গ্রুপের পক্ষ থেকে আদৃতার বাবার বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করছি।
সকলে যার যার জায়গা থেকে তার বাবার জন্য দোয়া করবেন। ওপারে শান্তিতে থাকুক তাদের প্রিয় বাবা।
আদৃতা, তোমাকে শান্তনা দেওয়ার ভাষা আমার জানা নেই। । আদৃতা এবং আর পরিবার কে এই কষ্ট সহ্য করার জন্য নিশ্চয়ই শক্তি দিবেন মহান আল্লাহতায়ালা।
গত ৪/৫ দিন আগে আদৃতার একটি লেখা:
প্রিয় বাবা,
আজ অনেক কুয়াশা বাইরে। কোন শীতের সকালে তুমি আমাদের শিখিয়েছিলে কুয়াশা ভোরের শেষে একসময় সূর্য উঁকি দেয়।
আজকাল আর আমাদের ভোর হয় না বাবা। দিন রাত এক হয়ে গেছে। সূর্য উঠলেও কষ্টের কুয়াশা আমাদের চারদিক ঘিরে থাকে।
ডরমিটরির রুমে পায়চারি করি আমি। তোমার স্ত্রী আই সি ইউ এর সামনে চোখ বুজে বসে থাকে। তার ঠোঁট আর হাতের আঙুল নড়তে থাকে। হয়তো নিরব প্রার্থনায়।
হৃদি নির্ঘুম জেগে থাকে। ভান করে যেন ঘুমাচ্ছে। আজ ডঃ বললেন তোমার ব্লাড লাগবে। বাবা ঠিক এই জায়গায় আমি অসহায়। মায়ের রক্ত পেয়েছি। হৃদি এগিয়ে গেলো দৃপ্ত পায়ে।
সাদা রক্তের দাগ লাগা প্রায় ময়লা এক বিছানায় শুয়ে ও যখন তোমায় রক্ত দিচ্ছিল, ওর চোখের পানিতে বাম পাশটায় একটা পদ্ম পাতা আঁকা হচ্ছিল।
তুমি বলতে তোমার এই মেয়ে কাঁদলে ওর মুখে আবিরের গোলা লেগে যায়। বাবা তুমি কিছুই দেখলে না।
লড়াইটা আমাদের। এক স্ত্রী ও তার দুই কন্যা সন্তানের।
বাবা তুমি হেরে যেও না। বাবা তুমি এই লড়াইটাতে আমাদের জিতিয়ে দাও।
হারিয়ে যেও না ‘ বাবা ‘।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর..