২৯ মার্চ ২০১৯,বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ ভবনের সেমিনার কক্ষে-“সাহিত্য কুঞ্জ’র তৃতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ২০১৯”অনুষ্ঠিত হয়েছে

বিশেষ সংবাদ সর্বশেষ

 

গতকাল ২৯ মার্চ ২০১৯, রোজ শুক্রবার। বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ ভবনের সেমিনার কক্ষে –সুন্দর ও সফল ভাবে শেষ হলো “সাহিত্য কুঞ্জ’র তৃতীয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ২০১৯”

“সাহিত্য সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান”

 কবি ইখতিয়ার এর সঞ্চালনায় এবং কবি শাহানাজ খানের সভাপতিত্বে-জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও সাহিত্য কুঞ্জ’র মহা পরিচালক তুলি চৌধুরীর শুভেচ্ছা বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা করা হয়।অনুষ্ঠানের এক পর্যায় সাহিত্য কুঞ্জ’র পক্ষ সাংগঠনিক বক্তব্য প্রদান করেন সাহিত্য কুঞ্জ’র উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য কবি মুহাম্মদ ইয়াকুব।অনুষ্ঠানের শুরুতেই মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়- সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের নেতৃত্ব দেন সাহিত্য কুঞ্জ’র প্রতিষ্ঠাতা- কণ্ঠশিল্পী ফিরোজ মোল্লা।একপর্যায়ে কণ্ঠশিল্পী ফিরোজ মোল্লা, লালন গানে মঞ্চ মাতিয়ে রাখেন, তারপর একে একে সংগীত পরিবেশন করেন কণ্ঠশিল্পী জুবায়ের তাপস, কণ্ঠশিল্পী রফিকুজ্জামান ও কণ্ঠশিল্পী মুন্নি ইসলাম।

অনুষ্ঠানে আমন্ত্রীত অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কবি তাহেরা মোন্নাফ, কবি ইলিয়াসুর রহমান রুশ্নি, গীতিকার শাহ মোহাম্মদ নিয়ামত উল্লাহ, কবি আসতাব আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি করেন, কবি আরিফ আহসান, কবি ইসতিয়াক আহমেদ, কবি হাসু, কবি রিতা অপ্সরা, কবি নাসরিন নাহার নাসিমা, কবি তানিয়া নিগার, কবি মিলন আহমেদ, কবি মুনতাসির আহমেদ, কবি জাকির হোসেন মনা, কবি সোহেল রানা, কবি শিমুল হোসেন শূন্য, কবি রেহানা নাসিফ,কবি জুবায়ের হোসেন সহ আরো অনেক নাম না জানা গুণী কবি বৃন্দ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন কবি ও সংগঠক টিপু রহমান, কবি ও অভিনেতা এ বি এম সোহেল রসিদ, কবি ও কলামিস্ট তৈমুর মল্লিক।

অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে কবিতা আবৃত্তি করে শ্রোতাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখেন প্রখ্যাত বাচিকশিল্পী এ্যাড. সীমা ইসলাম।অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের আলোচনা প্রদান করেন কবি পাঞ্জাব বিশ্বাস (সাবেক সংসদ সদস্য)

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক স্যার।সাহিত্য কুঞ্জ’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদানকালে বক্তারা তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে সাহিত্য, বাংলা সংস্কৃতি, বাংলাদেশ রাষ্ট্র, সামাজিক উন্নয়ন ও অবক্ষয়, এবং বর্তমান বিশ্ব নিয়ে অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা প্রদান করেন। সেই সাথে “সাহিত্য কুঞ্জ’র” চতুরমুখী সেবা মুলক কার্যক্রম, সামাজিক ও সাহিত্যের উন্নয়নে নিরলস ভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে ব্যাপক উৎসাহ প্রদান করেন।এবং সাহিত্য কুঞ্জ’র ভূয়সী প্রশংসা করেন অনুষ্ঠানে আগত সকল অতিথি ও উপস্থিত সভাসদ বৃন্দ।

বক্তারা একপর্যায়ে সাহিত্য কুঞ্জ’র সাফল্য কামনা করে বলেন- “বর্তমান বাংলা সাহিত্যের জন্য সাহিত্য কুঞ্জ সংগঠন আগামী প্রজন্মের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, সাহিত্য কুঞ্জ’র লক্ষ এবং উদ্দেশ্য অবশ্যই বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির জন্য সমসাময়িক। আশা করি সাহিত্য কুঞ্জ তাদের কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে বিশ্ব দুয়ারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সহায়তা করবে।”

সব শেষে

প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথিদের মাধ্যমে-

সাহিত্য কুঞ্জ’র পক্ষ থেকে বারো জন গুণী কবি ও সাহিত্যিককে সাহিত্য কুঞ্জ’র সর্বোচ্চ সম্মাননা “উৎসাহ” প্রদান করে এবং “শহিদ বুদ্ধিজীবী কোষ” বইটির জন্য কথাসাহিত্যিক আলী নাঈম ও কানিজ ফাহিমা লাভাকে সাহিত্য কুঞ্জ’র সর্বোচ্চ পদক “গুরুদক্ষিণা” প্রদান করে-

অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

সভাপতি শাহানাজ খান।

………………….সংবাদ সংগ্রহ

মনি জামান

(যুগ্ন মহা পরিচালক, সাহিত্য কুঞ্জ)

 

 

 

 

 

 

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *