ছিনতাই / প্রতারণার নতুন ফাঁদ : প্রশাসন নির্বিকার

সর্বশেষ সারাদেশ

 

আমার কন্যা ঢাকা মেডিকেল কলেজ থেকে ক্লাস-শেষে বেলা তিনটার দিকে রিকশায় আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে আসছিলো (মিরপুরের বাসে ওঠার জন্য)। আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছে রিকশাওয়ালাকে ভাড়া দেয়ার প্রাক্কালে রিকশার দুইপাশে দুইজন মহিলা (হিজড়া না, সাধারণ মহিলা) দাঁড়িয়ে আস্তে-অাস্তে বলতে থাকে, ‘অ্যাই, দশটা টাকা দে। আমাদের কাছে ৯০ টাকা আছে, আর দশ টাকা হলে একশো হয়। টাকাটা খুব দরকার। দশটা টাকা দে তাড়াতাড়ি।’ আমার মেয়ে প্রথমে রাজি না হয়ে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তারপর নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে থাকে ওরা। বলে, ‘দিয়ে দে, না দিলে খবর আছে।’ তখন সে ঝামেলা এড়াতে, সময় বাঁচাতে ১০ টাকা ওদেরকে দিয়ে দেয়। তারপর ওরা বলে, তুই ১০০ টাকার একটা নোট দে, আমাদের খুচরা ৯০ টাকা তুই নিয়ে নে। এতে সে রাজি না হলে আবারও নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি। ৯০ টাকাও অাগে হাতে দেয় না। এক পর্যায়ে নিতান্ত বাধ্য হয়ে ১০০ টাকার নোট দিলে সেটা নিয়ে দ্রুত দৌড় দেয় ওরা।
আমার মেয়ে পরে জানতে পারে, ওর আরও কয়েকজন বান্ধবীর কছ থেকেও এভাবে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে ঐ চক্রটি।
ওরা বিশেষভাবে এমন তরুণ বয়সী মেয়ে অথবা নম্র-ভদ্র লোকজনকে টার্গেট করে এই ছিনতাই / প্রতারণার কাজটি করে যাচ্ছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর না্কের ডগায়।
কিন্তু তাদেরকে বলে বা তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে কী লাভ হবে আমাদের মতো সাধারণ মানুষের? তারা তো রয়েছে অন্য কাজে সার্বক্ষণিক ব্যতিব্যস্ত।

হায় বাংলাদেশ!

ঘটনাটি যদিও প্রখ্যাত ছড়াকার আতিক হেলাল সাহেবের মেয়ের সাথে হয়েছে।এরকম ঘটনা আপনার আমার মেয়ের সাথেও হতে পারে।কাজেই সকলেই প্রতিবাদের ঝড় তুলুন।

এর থেকে কি সাধারন মানুষের নিস্তার নেই,যদি থাকে তাহলে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।এর জন্য কিছু একটা করুন।যারা আমার এই নিউজটি দেখবেন তারা যদি এর থেকে পরিত্রান চান তাহলে অনুগ্রহ করে সকলেই এই নিউজটি লাইক, শেয়ার এবং কমেন্টস করে প্রতিবাদের ঝড় তুলুন।

Please follow and like us:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *